স্ত্রী সতীনারী হলে বিয়ের প্রথম রাতে সেক্সের ফলে গুপ্ত স্থান থেকে রক্ত বের হয় একথা কি সঠিক?

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে https://www.facebook.com/apoardoctor/ আজকের প্রশ্নঃ  স্ত্রী সতীনারী হলে বিয়ের প্রথম রাতে সেক্সের ফলে গুপ্ত স্থান থেকে রক্ত বের হয় একথা কি সঠিক?

সেক্সর

উত্তরঃ একথাটি পুরোপুরিভাবে ঠিক নয়। প্রথম সেক্সে স্ত্রীর যোনিপথ দিয়ে রক্ত বেরোলেই স্ত্রী সতী আর না বেরোলে স্ত্রী অসতী হয়ে যাবে না। কেননা মেয়েদের সতীচ্ছদের পর্দা খুবই পাতলা। এটা যৌন সঙ্গম ব্যতীতই ছিড়ে যেতে পারে। যার ফলে স্বামী স্ত্রীর প্রথম মিলন হলেও রক্তপাত হবে না। কেননা প্রথমসেক্সের ফলে মেয়েদের যোনিপথ যে রক্ত বের হয় তা ঐ সতীচ্ছদের পাতলা আবরণ বিশিষ্ট পর্দাটি ফেটে যাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। এই সতীচ্ছদ পর্দাটি যৌন মিলন ব্যতীত এর পূর্বেই ফেটে যেতে পারে। খেলাধুলা, দৌড়ঝাঁপ, সাঁতারকাটা, হস্তমৈথুনের ফলে এটি ছিড়ে যেতে পারে। এর জন্য মেয়েটি দ্বায়ী নয়। হ্যাঁ, আমাদের সমাজে কিছু দুষচরিত্রা ছেলে আছে যারা মেয়েদেরকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সেক্সের মাধ্যমে নিজের যৌবনের চাহিদা মেটায়। পরে একে ছুঁড়ে ফেলে আরেকজনের সাথে নষ্টামীতে লিপ্ত হয়। এক্ষেত্রে মেয়েদেরকে একা দোষ দেওয়া যাবে না। কারণ, মেয়েরা মিষ্টি কথায় কাবু হয়ে যায়। আর এটা মেয়েদের গঠনতন্ত্রের দোষ। বর্তমানের মেয়েরা বুঝতে পারে না তাদের সতীত্বের মূল্য কত। এটা অনুধাবন করতে পারে না বলেই তারা দুষ্টদের মিষ্টি কথায় কাবু হয়ে যায়। আসলে মানুষের একটি সময় আসে, যখন আগুনে ঝাঁপ দিলে পুড়ে যাবার নিশ্চিত জেনেও অনেকে ঝাঁপ দেয়। ছেলে-মেয়েদের বেলায় এমনটাই হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দোষ পরিবার ও সমাজের এবং বিনোদনের জগতের। পরিবারের দোষ হচ্ছে, ছেলে-মেয়েদের নৈতিক শিক্ষা না দেওয়া। ছেলে-মেয়েদের সাথে অবাধ মেলামেশার সুযোগ না দেওয়া। কিন্তু আমাদের সমাজের বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। যার কারণে আজ সমাজে বৃদ্ধি পাচ্ছে কুমারীহীন মেয়েদের সংখ্যা। একই অপরাধ দুই জনে করলেও দিন শেষে মেয়েরা কুমারীত্বহীনের তকমা পেলেও ছেলেরা পায় না।

রোযাদার ব্যক্তি হস্তমৈথুন করলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে? জানতে এখানে ক্লিক করুন

আজ পর্যন্ত আমি শুনি নাই অমুক ছেলেটা কুমারীহীন। প্রশ্ন হচ্ছে, সব ছেলেরাই যদি কুমারী হয়ে থাকে তাহলে আমাদের দেশের যেসব মেয়েরা টাকার বিনিময়ে নিজের দেহের যৌবন কিছু সময়ের জন্য বাড়া দেয়, তাদেরকে ব্যবহার করে কে? চলচিত্র ও নাটক গুলোতে দেখায় প্রেম ভালোবাসা খারাপ কিছু নয় বরং খারাপ হচ্ছে প্রেম ভালোবাসা করতে না দেওয়া। এর জন্য তারাও দায়ী। এসম্পর্কে অনেক কিছু বলা যাবে, কিন্তু পোস্ট দীর্ঘ না করে এখানে সমাপ্ত করে দিলাম।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *