কখন ব্যায়াম করবেন, কখন করবেন না জেনে নিন

কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। সুস্থভাবে বাঁচার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা করা উচিত। তবে কখন করতে হবে আর কখন করা যাবে না, অনেকেই জানেন না। শরীর সুস্থ রাখতে ব্যায়াম করা জরুরি। তবে ব্যায়ামের সময় নিয়ে অনেকেই পড়েন বিপত্তিতে। কেউ হয়তো ইচ্ছা থাকলেও সময় করে উঠতে পারেন না। আবার যখন সময় পান তখন এক্সারসাইজ করা ঠিক হবে কি না বুঝে উঠতে পারেন না। শুধু নিয়মিত এক্সারসাইজ করলেই যে শরীর সুস্থ থাকবে, সেটাও না। কোন সময়ে এক্সারসাইজ করা ভালো, আর কখন ব্যায়াম করা ঠিক নয় সে বিষয়ে জেনে নিন।ব্যায়াম

কখন ব্যায়াম করবেন, কখন করবেন না জেনে নিন

 সকালে ঘুম থেকে উঠেই ব্যায়াম করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ঘুমের পর সকালে এক্সারসাইজ সারা দিন ফুরফুরে রাখতে পারে।

 এ ছাড়া সন্ধ্যার আগে বিকেলটাও এক্সারসাইজ করার জন্য উপযুক্ত সময়। যেহেতু এক্সারসাইজ করলে শরীরের ঘাম ঝরে, তাই নরম আবহাওয়াতেই এক্সারসাইজ করা ভালো।

 দুপুরবেলা বা বেশি গরমে এক্সারসাইজ করলে সহজেই ক্লান্ত মনে হতে পারে। তাই এ সময়ে এক্সারসাইজ না করাই ভালো।

পড়ুন  যে ব্যায়াম সমূহ ঘরের জন্য উপযোগী

 অনেকে ব্যস্ততার জন্য সারা দিন সময় করে উঠতে পারেন না, তাঁরা রাতে ব্যায়াম করেন। এতে কোনো সমস্যা নেই।

 যাঁরা সারা দিন বাসায় থাকেন, তাঁরা চাইলে যেকোনো সময় এক্সারসাইজ করতে পারেন।

 ব্যায়ামের সময় অনেক বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। হালকা খাবার যেমন, একটা কলা বা বিস্কুট খেয়ে এক্সারসাইজ করলে উপকার পাওয়া যাবে।

 সকালে ব্যায়াম করতে গিয়ে অনেকে এক্সারসাইজ শেষে ভরপেট খেয়ে বাসায় ফেরেন। এতে ব্যায়ামের কোনো উপকারিতা থাকে না।

 যাঁরা নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন, তাঁরা বেশি দিনের অবসর কাটালে বা কোথাও ঘুরতে গেলে খাবারের দিকে নজর রাখা উচিত। ঘুরতে গিয়ে বেশি দিন থাকার পরিকল্পনা করলে সুযোগ থাকলে টুকটাক এক্সারসাইজ করা যেতে পারে।

 ব্যায়াম করার আগে বা পরপরই বেশি পরিমাণে পানি খাওয়া ঠিক নয়। ব্যায়ামের পর একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর পানি খেতে পারেন।

 খাবারের মেন্যু থেকে যতটা সম্ভব মিষ্টি, কোমলপানীয়, ফাস্টফুড ইত্যাদি খাবার বাদ রাখাই ভালো। কারণ, এসব খাবার খেলে আপনার এক্সারসাইজ করা বৃথা হয়ে পড়বে।

পড়ুন  ব্যায়াম এর সঠিক সময় ও উপকারিতা জেনে নিন

 নিজে অসুস্থ থাকলে এক্সারসাইজ করার দরকার নেই। বিশেষ করে গর্ভকালীন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো এক্সারসাইজ করা উচিত নয়।

 যেকোনো ধরনের ব্যায়াম বা ডায়েট পরিকল্পনার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া উচিত।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About পূর্ণিমা তরফদার

আমি পূর্ণিমা তরফদার আপনার ডক্টরের নতুন রাইটার। আশাকরি আপনার ডক্টরের নিয়ামিত পাঠকরা আমাকে সাদরে গ্রহণ করবেন ও আমার পোষ্টগুলো পড়বেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.