প্রতিদিন সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা না জানলে এখনি জানুন

সকালের নাস্তায় প্রতিদিন ডিম রাখা উচিত। বিশেষ করে তেলে ভাজা ডিম না খেয়ে প্রতিদিন একটি করে সেদ্ধ ডিম খান সকালের নাস্তায়। তাড়াহুড়ার কারণে যদি নাস্তা খাওয়ার সময় না থাকে তাহলেও একটি সেদ্ধ ডিম খেয়েই সেরে নিন সকালের নাস্তা। সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন, প্রোটিন ও শরীরের জন্য উপকারী চর্বি উপাদান। ফলে সকাল বেলা একটি সেদ্ধ ডিম খেলে সারাদিন শরীরে শক্তি পাওয়া যায়।

সেদ্ধ ডিম

ভালো চর্বি:
সেদ্ধ ডিমে শরীরের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড চর্বি আছে। এগুলো স্যাচুরেটেড ফ্যাটকে সরিয়ে দিয়ে তার স্থান দখল করে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে। ফলে হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হার্টের জন্য উপকারী এই চর্বি গুলো ইন্সুলিনও নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়বেটিসের জন্য এধরণের ফ্যাটগুলো খুবই উপকারী। সেদ্ধ ডিমের দুই তৃতীয়াংশই এ ধরণের উপকারী ফ্যাট দিয়ে গঠিত।

প্রোটিন:
সেদ্ধ ডিমে প্রাকৃতিক ভাবেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। সকাল বেলা নাস্তায়একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিনপাওয়া যায়।

চোখের স্বাস্থ্য:
ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে খাবার তালিকায় ৭৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ যুক্ত হয়।হাড় গঠন:

সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি যা হাড় ও দাঁত শক্ত করে। ভিটামিন ডি খাবার থেকে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের হাড়ের কাঠামো মজবুত ও শক্ত হয় এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৪৫ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

শক্তি যোগায়:
একটি বড় সেদ্ধ ডিমে প্রায় ৮০ ক্যালোরী আছে। এর মধ্যে ৬০% ক্যালরী আসে চর্বি থেকে। ফলে সকালের নাস্তায় একটি মাত্র সেদ্ধ ডিম খেলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায় এবং দূর্বলতা হ্রাস পায়।

তবে কেউ যদি ক্যালোরী কাট-ছাট করতে চান তাহলে ডিমের কুসুমটা না খেয়ে কেবল মাত্র সারা অংশটা খান। তাহলে ডিমের ক্যালোরী অর্ধেকেরও বেশি কমে যাবে।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *