ওজন বাড়াতে যে খাবার গুলো সহায়তা করে জেনে রাখুন

বাড়তি ওজন যেমন একটা সমস্যা, ঠিক একইভাবে সমস্যা রুগ্ন বা ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়াটা। একজন রুগ্ন বা “আন্ডার ওয়েট” মানুষের চেহারা স্বাভাবিক ভাবেই তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারায়। চাপা ভাঙ্গা হয়, চোখের কোলে কালি পড়ে, কাজকর্মে উৎসাহ লাগে না কিংবা খুব ক্লান্ত বোধ করেন সব সময়। বেশী রোগা মানুষের শরীর সঠিকভাবে গঠিত হয়না, বা বয়সের সাথে সঠিক ভাবে রূপান্তরিত হয়না। ফলে তাঁরা ভুগে থাকেন ভীষণ হীনমন্যতায়ও।ওজন কমার ফলে শরীর থেকে শর্করা ও চর্বিও কমে যেতে থাকে ফলে শরীর অনেক দুর্বল হয়ে যায়, মাথা ঝিম ঝিম করে, কোনো কাজই ঠিকমতো করা যায় না। এ সময়ে ওজন বাড়ানোটা খুব বেশি জরুরী হয়ে পড়ে।

ওজন.PNG

ওজন বাড়াতে যে খাবার গুলো সহায়তা করে জেনে রাখুন

জেনে নেওয়া যাক উপায় গুলোঃ-

১ঃ ক্যালরিযুক্ত খাবার

দেহের ওজন বাড়ানোর জন্য যেসব খাবারে বেশি ক্যালরি রয়েছে, সেসব খাবার খাওয়ায় মনোযোগী হতে হবে। এক্ষেত্রে মাছ, মাংস, বাদাম, চকলেট, বিভিন্ন বীজ, শুকনো ফল, পনির ও দুগ্ধজাত সামগ্রী ইত্যাদিতে গুরুত্ব দিন।

২ঃ পুষ্টিকর খাবার

যেসব খাবারে প্রচুর পুষ্টি রয়েছে সেগুলো বেশি করে খান। এক্ষেত্রে শুধু প্রোটিনই নয় অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদানযুক্ত খাবার খেতে হবে। এক্ষেত্রে দেহ যেন পর্যাপ্ত উন্নতমানের কার্বহাইড্রেট পায় সেজন্যও মনোযোগ দিতে হবে। এজন্য খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন বাদামি আটার রুটি, কলা, ঘি, নারিকেল তেলের খাবার, মুরগির মাংস, ডিম ও ডাল।

৩ঃ সঠিক নাশতা

আপনার নাশতাগুলো যেন সঠিকভাবে কাজে লাগে সেজন্য মনোযোগী হোন। অস্বাস্থ্যকর নাশতা বাদ দিয়ে পুষ্টিগুণসম্পন্ন নাশতা খাওয়াতে গুরুত্ব দিন। এক্ষেত্রে কার্বহাইড্রেটযুক্ত নাশতা হতে পারে একটি ভালো উপায়। এছাড়া নাশতায় রাখতে পারেন প্রোটিনযুক্ত খাবার ও চীনাবাদাম।

৪ঃ ছোট ছোট খাবার

আপনার দেহের ওজন যদি কম হয় তাহলে হয়ত আপনি একবারে বেশি খাবার খেতে পারেন না। আর এ কারণে শুধু প্রতি বেলার খাবার খেলেই হবে না, খাবারের মাঝখানে নাশতাও খেতে হবে বেশি করে।

৫ঃ শারীরিক অনুশীলন

আলসেমি করে বসে থাকলে আপনার শারীরিক কার্যক্ষমতা কমে যাবে। আর এতে কমে যেতে পারে খাওয়ার রুচিও। তাই শারীরিক অনুশীলন করুন। তবে সব ধরনের শারীরিক অনুশীলন কাজে নাও আসতে পারে। এক্ষেত্রে ওজন বাড়ানোর জন্য অ্যারোবিক এক্সারসাইজ নয়, বরং ভারি ওজন তোলা কিংবা ইয়োগার মতো অনুশীলন সবচেয়ে ভালো।

৬ঃ বেশি প্রোটিন

দেহের weight বাড়ানোর জন্য প্রোটিনের গুরুত্ব অপরিসীম। এক্ষেত্রে প্রাণীজ ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন উভয়ই খেতে হবে। মাছ, মাংসে রয়েছে প্রাণীজ প্রোটিন। পাশাপাশি সয়াবিন, বাদাম, ডাল ইত্যাদিও গুরুত্বপূর্ণ।

৭ঃ প্রোবায়োটিকস খান

পেটে খাবার ভালোভাবে হজমের জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে উপকারি ব্যাকটেরিয়া। এক্ষেত্রে দই হতে পারে একটি ভালো সমাধান। প্রতিদিন খাবারের তালিকায় কিছুটা হলেও দই রাখুন।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About ফারজানা হোসেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *