প্রাকৃতিকভাবে মেয়েদের দুধ বড় করার সহজ উপায়!

দুধ হলো নারীর অন্যতম আকর্ষণীয় অঙ্গ। নারীর প্রকৃত সুন্দর্য ফুটাতে সঠিক মাপের সুডৌল স্তনের জুড়ি নেই। বড় ব্রেস্ট মেয়েদের যৌন আকর্ষনীয় করে তোলে৷ আজকাল বেশিরভাগ নারী স্তনের গুরুত্ব বোঝে। এখন প্রাকৃতিকভাবেই দুধ বড় করা যায়, সার্জারীর প্রয়োজন তেমন হয় না। সাধারণত ৩৪-৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্ট সাইজ।

দুধ

দুধ বড় করার ঘরোয়া উপায়

তবে অনেকের ব্রেস্ট আকারে ছোট হয়। তাই বিডি রমণী আপনাদের জন্য আজ নিয়ে এলো প্রাকৃতিকভাবে মেয়েদের দুধ বড় করার সহজ উপায়। যাদের ব্রেস্টের মাপ ৩৪-৩৬ এর নিচে লেখাটি শুধুমাত্র তাদের জন্য। এর আগে আপনারা দেখেছেন মেয়েদের স্তন সুন্দর করার প্রাকৃতিক উপায়

 

প্রাকৃতিকভাবে মেয়েদের স্তন/ দুধ বড় করার সহজ উপায় নিম্মরুপ

১. আপনাকে মানসিকভাবে অনেক দৃঢ় হতে হবে। মন মরা হয়ে বসে থাকলে স্তনের অবস্থা আরও খারাপ হবে। আপনার বয়স এবং স্বাস্থ্য বাড়ার সাথে সাথে আপনার দুধ এমনিতেই বড় হবে। তাই নিজেকে কিছুটা সময় দিলে ভবিষ্যতে প্রাকৃতিকভাবেই বড় হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া বুকের কিছু ব্যায়াম আছে যেমন: বুকডাউন, বেঞ্চপ্রেস। এছাড়া এসকল ব্যায়াম কোন ইন্সট্রুমেন্ট ছাড়া খালি হাতেও করতে পারেন।

পড়ুন  বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা

২. স্বামী বা পার্টনারকে বলবেন আপনার দুটো ব্রেস্টেই সমান গুরুত্ব দিতে। সে যেন একটা ব্রেস্ট নিয়ে মেতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। তাছাড়া আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, আপনার ডান স্তনের চেয়ে বাম দুধ কিছুটা বড়। তবে এ নিয়ে চিন্তিত হবার কোন কারণ নেই। এটি প্রাকৃতিক।

৩. এক বা দুই সপ্তাহ পর পর নিজের ব্রেস্ট মাপুন, টাইট জামাকাপড় পরিধান করুন এবং সঠিক কাপ সাইজের ব্রা পরিধান করুন।

৪. ব্রেস্টে / দুধে নিয়মিত ম্যাসাজ করলেও এটা ধীরে ধীরে বড় হয়। আবার নিয়মিত সেক্স করলে ও তা বড় হয় (বিবাহিতদের জন্য)। তবে এসময় নিজের অর্গ্যাজমের উপর নজর দিতে হবে। অনেকক্ষণ ধরে সেক্স করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং সেক্সে পুরোপুরি তৃপ্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। নিজেকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে পুরো সক্রিয় থাকতে হবে। এতে দেহে হরমোনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যা ব্রেস্ট বড় করতে সহায়তা করবে। চাইলে ম্যাসাজের সময় হালকা গরম করে সামান্য সরিষার তেল বা খাঁটি মধু ব্যবহার করতে পারেন।

৫. হাত ঘষে গরম করে দুই হাত দুধের নিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উল্টা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দুধ  ম্যাসাজ করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০-১৫ মিনিট এভাবে ১০০ থেকে ৩০০ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেকের মধ্যে স্তনের সাইজ কিছুটা বাড়তে পারে। সেই সাথে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে, রাতে অনেক ঘুমাতে হবে।

৬. আপনার ব্রেস্টের মাপ যদি ৩৮ এর বেশী হয়ে থাকে তাহলে আপনার ব্রেস্ট বড় করার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ অনেক মেয়ে/মহিলাদের বংশগতভাবেই ব্রেস্ট বড় থাকে।

৭. আপনি যখন থেকে ব্রেস্ট বড় করার জন্য ব্যায়াম ও ম্যাসাজ শুরু করবেন, তখন থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন (যদি ম্যাসাজ শুরুর আগে থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন)। কারণ এ ধরণের ক্রিম সাধারণত কোন কাজে আসে না। এছাড়া ব্রেস্ট বড় করার জন্য কোন পিল সেবন করবেন না। এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ব্রেস্ট ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে এসব ক্রিম/পিল ব্যাবহার করার ফলে।

৮. মেয়েদের জন্য ব্রেস্টের কিছু স্পেশাল ব্যায়াম আছে যেমন: বেঞ্চ প্রেস, বাটারফ্লাই প্রেস, পুশ-আপ (বুকডাউন) নিয়মিত এগুলো করে স্তনের টিস্যুতে ব্লাড ফ্লো বাড়াতে হবে। এতে বুকের পেশিগুলো সঠিক শেপে এসে স্তনকে সুগঠিক করবে। এটা অনেকটা বডিবিল্ডাররা যেভাবে শরীরের পেশি বৃদ্ধি করে, সেভাবে কাজ করবে। দিনে বেশ কয়েকবার দুইহাত দুইদিকে প্রসারিত করে আবার এক করুন।

৯. বাথরুমে স্নান করার সময় হাত দিয়ে ব্রেস্টের চারপাশ ১০/১৫ মিনিট ম্যাসাজ করবেন। আপনার শরীর যদি রোগা হয় তাহলে ২/৩ মাস সুষম খাদ্য খায়ে শরীরটা ঠিক করেন, দুধ, ডিম, ফল একটু বেশি খেলে উপকার পাবেন। চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন। শরীর বাড়ার সাথে সাথে আপনার দুধ ও বড় হবে। সাথে ব্যায়াম করবেন। ব্যায়াম না করলে শরীর আবার বেশি মোটা হয়ে যেতে পারে। শরীরের প্রতি খেয়াল রাখবেন। ঠিক মত ঘুমাবেন। ম্যাসাজটা চালিয়ে যাবেন। যদি পারেন তাহলে দিনে দুই বার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আলতো ভাবে টিপবেন বা ম্যাসাজ করবেন। আর এইসময় কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করতে হবে। নইলে ব্রেস্ট ঝুলে যেতে পারে।

১০. এছাড়া ব্রেস্ট/ দুধ বড় করার জন্য ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট সার্জারী রয়েছে। এটি ন্যাচারাল নয় বলে না করাই ভালো এবং এ পদ্বতিটি ব্যয়বহুল।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *