চুল পড়ে টাক হওয়া নিয়ে কিছু কথা

পুরুষের চুল পড়া সাধারণত শুরু হয় ২০ বছর বয়সের পর থেকে। কারও কারও কৈশোর পেরোনোর পরও চুল পড়া শুরু হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগের কারণে কখনো কখনো চুল পড়ে। মূলত পুরুষের টাক হয়ে থাকে হরমোনজনিত কারণে। পারিবারিকভাবে টাকের ইতিহাস থাকলে সেই পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের পুরুষেরও টাক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তা না থাকলেও যে টাক পড়বে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

Loading...

চুলচুল পড়ে টাক হওয়া নিয়ে কিছু কথা

 

স্বাভাবিকভাবে আমাদের চুল কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে ধীরে ধীরে একসময় ঝরে পড়ে। তবে হরমোনজনিত কারণে প্রথম ধাপ থেকে খুব দ্রুত শেষ ধাপে চলে আসার ফলে সহজেই চুল পড়ে যায় এবং ওই অংশে আর চুল গজায় না।
এ ধরনের সমস্যায় সাধারণত মাথার মাঝখানে এবং কপালের দুপাশের চুল পড়ে যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে মাথার অন্য অংশের তুলনায় এসব অংশের চুল ফ্যাকাশে ও সরু হয়ে যায়। পরে চুলগুলো ঝরে যায়। চুল পড়ে যাওয়ার আগে অর্থাৎ এ লক্ষণগুলো দেখা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। সতর্ক থাকা ভালো; বিশেষ করে যাঁদের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে।
টাক হয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসা শুরু করলে দীর্ঘদিন তা চালাতে হয়। চিকিৎসার জন্য কিছু ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি কিছু ক্রিমও ব্যবহার করতে হতে পারে। তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ না নিয়ে এগুলো ব্যবহার করা ঠিক নয়। হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা চুল প্রতিস্থাপনও করানো যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, চুল পড়ার ইতিহাস যদি ১০ বছরের কম হয়, টাক পড়ে যাওয়া অংশের আকার যদি ১০ সেন্টিমিটারের কম হয় এবং ওই অংশে চুলের গ্রন্থি যদি পর্যাপ্ত সংখ্যায় থাকে, তাহলে এ চিকিৎসাপদ্ধতির সাফল্যের হার ৬৫ শতাংশ। যদি দীর্ঘদিন ধরে টাক পড়ে গিয়ে থাকে, মাথার অনেকটা অংশে টাক পড়ে যায় এবং ওই অংশে পর্যাপ্ত চুলের গ্রন্থি না থাকে, তাহলে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করালে সাফল্যের হার খুব কম।

পড়ুন  অল্প সময়ে নতুন চুল গজানোর কার্যকরী উপায়

চর্মরোগ বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

সূত্র: প্রথম আলো

Loading...

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About Deb Mondal

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.