ভারতীয় মহিলারা কেন ইরোটিকা পড়েন?

তিনি নিজে একসময়ে নীলদুনিয়ার পাটরানি ছিলেন। ফলে মহিলাদের যৌনতাকে তিনি দেখেন বাকি পাঁচজনের থেকে আলাদা চোখে। ‘ডেইলিও’ নামে একটি ওয়েবসাইটে সানি লিওন লিখেছেন তাঁর অভিজ্ঞতা।

ইরোটিকা

ইরোটিকা’ বা যৌন উত্তেজনাপূর্ণ গল্প ইতিমধ্যেই লিখে ফেলেছেন সানি লিওন। গল্প হিসেবে সেগুলি বিভিন্ন মহলে প্রশংসিতও হয়েছে। সেই গল্পগুলির প্রেক্ষিতেই সানি লিওন তাঁর এই লেখায় মহিলারা কেন ইরোটিকা পড়েন, তার একটি ব্যাখ্যা দিতে চেয়েছেন সানি লিওন।

সানি লিখেছেন, ‘‘আমি কিন্তু মহিলাদের আকর্ষণ করার কথা মাথায় রেখেই গল্প লিখেছি। প্রায় প্রতিটি গল্পই মহিলাদের সামনে রেখে লেখা। ভারতের শহর এবং গ্রামাঞ্চলে গল্পগুলির প্রেক্ষাপট রেখেছি।’’

সানির বক্তব্য, ‘‘আমি নিজে যে খুব একটা ইরোটিকা পড়ি, তেমন নয়। তবে একটি বিষয় আমি খেয়াল করেছি। এই দেশে ইরোটিকা পড়ার প্রচলন বাড়ছে। মহিলারা প্রেম এবং রোম্যান্টিক লেখা পড়তে এমনিতেই ভালবাসেন। এখন নিজেদের পড়ার গণ্ডি বাড়িয়ে ইরোটিকায় নিয়ে যেতে পেরেছেন। সামাজিকভাবে ইরোটিকাকে এখানে গ্রহণ করা হচ্ছে দেখে বেশ ভাল লাগছে।’’

মহিলারা ইরোটিকা পড়লে সেটাকে বাঁকা চোখে দেখার কোনও কারণ নেই বলে মনে করেন সানি। সানির কথায়, ‘‘কাউকে নিয়ে ফ্যান্টাসাইজ করা তো স্বাভাবিক ব্যাপার। এই ধরনের লেখাগুলির মধ্যে আমি মহিলাদের চিন্তাভাবনাগুলি রাখতে চেয়েছি। আমি মনে করি, মহিলাদের ফ্যান্টাসাইজ করার জগতটা আমি খুলে দিতে পেরেছি তাঁদের সামনে। মহিলারা যদি গণ্ডি থেকে বেরিয়ে নিজেদের কল্পনাকে আরও প্রসারিত করার সুযোগ পান, তা হলে তাঁরা সেটা করবেন না কেন?’’

এ প্রসঙ্গেই সানি নিজের বিভিন্ন গল্পের প্রসঙ্গ তুলেছেন লেখায়। অনেকেই মনে করছেন, এমনিতে ভারতীয় সমাজে এখনও যৌনতা নিয়ে বিভিন্ন ট্যাবু রয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে মহিলাদের যৌনচর্চা নিয়ে। এই অবস্থায় ইরোটিকা সেই আগল খুলে দেয়। একটি অন্য জগতের সন্ধান মেলে, যা আপাতভাবে তাঁদের কাছে ‘নিষিদ্ধ’। যদিও কেন এই বাধবিচার, তার কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা নেই।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *