এই ঈদে প্রিয়জনকে খুশি করার উপহার

হাতে তৈরি উপহারের আবেদন বরাবরই আলাদা। কেনা খুব মূল্যবান জিনিষটার সামনেও কারো নিজের হাতে তৈরি করা ছোট্ট একটা উপহার বেশি দামী লাগে। ওর মধ্যে যে উপহারদাতার ভালোবাসা আর আন্তরিকতার ভরপুর মিশেল থাকে!

সামনেই তো ঈদ। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাদেই ঘরে ঘরে উৎসবের রঙ লেগে যাবে। কেনাকাটার পাট হয়তো শেষ, হয়তো চলছে এখনো। উপহার দেয়ার কাজ যদি এখনো সম্পূর্ণ শেষ না হয়ে থাকে, এবং কাছের কোন মানুষকে নিজ হাতে কিছু বানিয়ে দিতে ইচ্ছে হয় আপনার তবে চোখ বুলিয়ে নিন তেমনই কিছু আইডিয়ায়।

উপহার

এই ঈদে প্রিয়জনকে খুশি করার উপহার

কাপড়ে হাতের কাজ করতে পারেন? সামান্য হলেও ধারণা রাখেন এসব নিয়ে? তবে কাপড় কিনে নিজের হাতে একটু করে আঁকিবুকি কেটে উপহার দিন প্রিয়জনকে। মানুষটা চমকে যাবে এমন উপহারে, খুশিও হবে ঢের বেশি।

অ্যাপ্লিক করতে পারেন, সুঁই সুতোয় ছোট্ট করে নকশা এঁকে দিতে পারেন। ফ্যাব্রিক পেইন্টিংও কিন্তু দারুণ আইডিয়া। একরঙা ওড়না বা কুর্তি কিনে তাতে পেইন্ট করে দিন যা ইচ্ছা হয়। কাঁচা হাতের কাজ হলেও উপহার তো বিশেষই হবে। ছেলেদের জন্য উপহার হলেও টি-শার্টে পেইন্ট করে দিতে পারেন।

আবার এসব কাজে মন না থাকলে সবই বাজার থেকে কিনে বাজারেই তৈরি করিয়ে দিতে পারেন। ধরুন মায়ের জন্য ওড়না বা বন্ধুর জন্য একটা স্কার্ফ নিলেন, কিনে নিয়ে আরো একটু বিশেষ করে তুলতে পারেন। লেইস, পুঁতি, ঝুমকো এসব বসিয়ে নিন, তাতে কিন্তু উপহারের জিনিষটা আপনার চাহিদামতো কাস্টোমাইজড হয়েই গেলো। আপনার হাতের ছোঁয়া না থাকলেও পছন্দ অনুযায়ী তৈরি করিয়ে নেয়ার তৃপ্তিটা থাকবে। ঈদ উপহার হিসেবে নতুন একটা পোশাক অবশ্যই দারুণ কিছু। তাই উপহার হিসেবে নিশ্চিন্তে বেছে নিতে পারেন এই জিনিষ।

কাগুজে বাক্সও চলতে পারে উপহারের নামে। মানে বুঝলেন না? কাগজ দিয়ে তৈরি বক্স, যা গহনা বা টুকিটাকি জিনিষপত্র রাখার কাজে ব্যবহার করা যাবে, বানিয়ে দিতে পারেন সহজেই। ইউটিউবে এমন অসংখ্য টিউটোরিয়াল ভিডিও পাবেন বক্স বানানোর। তার মাঝে পছন্দ এবং সুবিধা মতন কোন একটা বেছে নিয়ে ভিডিও ফলো করে তৈরি করে ফেলুন উপহার।

গহনা তৈরি করে দেয়া যায় ঈদ উপহার হিসেবে। সুতো, পুঁতি, ঝুমকো এসব কিনে এনে নিজের হাতে মালা গেঁথে ফেলতে পারেন। খুব একটা ঝামেলার কাজ নয় এগুলো। মন দিয়ে করলে অল্প সময়েই বানিয়ে নিতে পারবেন এমন কোন জিনিষ। মালা, ব্রেসলেট বা পায়েল এসমস্ত গয়না বানানোর সময় কেবল খেয়াল রাখতে হয় যেনো বাঁধনটা মজবুত থাকে, দুই প্রান্তে লাগানো আংটা যেনো নিপুণভাবে জোড়া দেয়া হয়। আর ডিজাইন তো আপনার যেমন খুশি, যতোটা কাজ পারবেন সেসব বুঝেই হবে।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About ফারজানা হোসেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *