মনের কথা বলার সহজ উপায়

তরুণ কলেজে পড়েন। সেকেন্ড বেঞ্চের কোনায় যখনই রুমি এসে বসে তখন থেকেই পড়া আর মাথায় ঢোকে না।আর্কিমিডিসের তত্ত্ব তখন রবি ঠাকুরের কবিতা মনে হয়। তবে সামনে গিয়ে মনের কথা বলা আর হয়ে ওঠে না। বলতে গেলেই গলা শুকিয়ে কাঠ। জিভ জবাব দিয়ে দেয়। আর চোখ কিছুতেই চোখের দিকে তাকাতে পারে না। সমস্যা জটিল সন্দেহ নেই। তবে একটু চেষ্টা করলে এটা কাটিয়ে উঠতে পারেন। কীভাবে কাটাবেন তা বলে দিচ্ছি আমরা। বেশি দেরি না করে লেগে পড়ুন। কে বলতে পারে, আপনার ‘রুমি’ বা ‘তরুণ’ হয়তো আপনার বলার জন্যই অপেক্ষা করে আছে। দেখে নিন উপায়গুলি।

কথা

মনের কথা বলার সহজ উপায়

১) মনের কথা লিখে ফেলুন : সোজা সাপ্টা ভাষায় জাস্ট লিখে ফেলুন। তাঁকে আপনি কতটা ভালোবাসেন। তাঁকে নিয়ে কী কী ভাবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। বেশ কয়েকবার পড়লে দেখবেন ফাঁকফোকড়গুলি নিজেই ধরতে পারছেন। খবরদার অন্য কোনও বন্ধুর সাহায্য নেবেন না। যা পারবেন, যেমন পারবেন লিখুন। কয়েকবার লিখলে দেখবেন বেশ খোলতাই ব্যাপার হয়েছে। তার পর সেটাই বলুন মনের মানুষকে।

২) খাতা-পেন না হলে ইমেল আছে : ফেসবুক, টুইটারের যুগে বসে বার্তা পৌঁছানো নিয়ে চিন্তা করছেন? একেবারেই কাম্য নয়। যদি মুখে একেবারেই না বলতে চান, তবে আরও অনেক উপায় আছে। প্রথম উপায় মেসেজ। যে কোনও মাধ্যম বেছে নিতে পারেন। দ্বিতীয় উপায় ই-মেল। সহজ ভাষায় লিখে পাঠিয়ে দিন। তৃতীয় উপায়টা একটু কঠিন। বিশেষত আপনি যদি নিজে বলতে ভায় পান। ফোন করে বলুন। যেটাই করুন। নিজের মনের কথা অসম্পূর্ণ রাখবেন না। শান্ত ভাবে তাড়াহুড়ো না করে গুছিয়ে বলুন।

৩) রিহার্সাল : এক বার না পারিলে দেখ শত বার। একেবারে হক কথা। মনে রাখবেন, প্র্যাক্টিস মেকস সামওয়ান পারফেক্ট। যত অনুশীলন করবেন, তত কথা বলার ওপর দখল বাড়বে। আয়নার সামনে দাঁড়ান, নিজের মুখের ভাব লক্ষ্য করুন। অতিনাটকীয় যাতে না হয় সেটা কিন্তু মাথায় রাখতে হবে। আর দয়া করে কোনও হিরোকে নকল করতে যাবেন না।

৪) আত্মবিশ্বাস মূল চাবিকাঠি : যাঁরা সরাসরি কথা বলায় বিশ্বাসী (যেটায় সাফল্যের হার সব থেকে বেশি), তাঁরা কখনও আত্মবিশ্বাস হারাবেন না। সেটাই মূল চাবিকাঠি। আপনার আত্মবিশ্বাসের খামতি দেখলে কোনও মানুষ আপনার সঙ্গে সম্পর্ক করতে চাইবেন না। একমাত্র আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিরাই যে কোনও অসাধ্যসাধন করতে পারেন। আপনিও পারবেন।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About ফারজানা হোসেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *