হাঁটুর কালো দাগ দূর করার ৬টি ঘরোয়া উপায়

অনেকের হাঁটু এবং হাতের কনুই হাত বা পায়ের রঙের চেয়ে কালো হয়ে থাকে। এই কালো দাগ হাত-পায়ের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় অনেকটাই।

কালো দাগ

হাঁটুর কালো দাগ দূর করার ৬টি ঘরোয়া উপায়

সাধারণত সূর্যের আলো, বংশগত বৈশিষ্ট্য, শুষ্ক ত্বক, অতিরিক্ত ওজন, চর্ম রোগ বিভিন্ন কারণে হাঁটুতে কালো দাগ পড়ে যায় এবং এই দাগের জন্য অনেকেই অস্বস্তিতে পড়ে থাকেন। দাগ দূর করার জন্য ব্যবহার করেন নানা নামী দামী লোশন এবং ক্রিম। ঘরোয়া কিছু উপায় চিরবিদায় বলতে পারেন হাঁটুর কালো দাগকে।

১। লেবুর রস

সবচেয়ে সহজলভ্য এবং কার্যকর উপায় হল লেবুর রস। দিনে দুইবার লেবুর রস হাঁটুর কালো দাগের স্থানে ঘষুন। একটি তুলোর বলে লেবুর রস ভিজিয়ে হাঁটুর কালো দাগের স্থানে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘষুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর রস ব্যবহারের আগে অথবা পরে ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম অথবা লোশন ব্যবহার করবেন না।

২। বেকিং সোডা

হাঁটুর কালো দাগের জন্য মৃত চামড়া দায়ী থাকে। সময়মত চামড়া দূর করা না গেলে এটি কালো রং ধারণ করে। বেকিং সোডা মৃত কোষ দূর করতে বেশ কার্যকর। পানিতে বেকিং পাউডার মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার পেস্টটি হাঁটুর কালো দাগের স্থানে ৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এটি ৭ থেকে ১০ মিনিট ঘষুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। এরপর ময়শ্চারাইজ ক্রিম অথবা লোশন ব্যবহার করুন।

বগলের কালো দাগ দূর করা ও ফর্সা ভাব ধরে রাখার ১০ টি টিপস

৩। নারকেল তেল

হাঁটুর কালো দাগের স্থানে ৫-৮ মিনিট নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এছাড়া নারকেল তেল এবং লেবুর রস মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪। চিনি এবং অলিভ অয়েল

সমপরিমাণ চিনি এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি হাঁটুর কালো স্থানে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এরপর হালকা সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫। বেসন এবং লেবুর রস

বেসন এবং লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার পেস্টটি চক্রাকারে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে স্ক্রাবিং করে নিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি হাঁটুর কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

৬। সরিষা তেল

সরিষা তেলের সাথে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে হাঁটুর কালো স্থানে ৫ থেকে ৮ মিনিট ঘষুন। এটি হাঁটুর কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *