পুরুষ নারীদের কাছ থেকে যে সমস্ত অভ্যাস গুলো আশা করে

পুরুষ নারীদের কাছ থেকে যে সমস্ত অভ্যাস  গুলো আশা করে

নরীদের মত পুরুষ এরও কিছু ভালোলাগা থাকে নারীদের অভ্যাসের প্রতি। ভালবাসার মানুষের সব কিছুই নাকি ভাল লাগে। তবে কিছু কিছু ব্যাপার আছে যা ভালবাসার মানুষটির অন্যসব অভ্যাসের চেয়ে একটু বেশিই ভাল লাগে। স্ত্রী কিংবা বান্ধবীর কিছু কিছু অভ্যাসও পুরুষ এরও পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে। ভালবাসার মানুষটির কাছ থেকে তাই সেগুলো প্রত্যাশা করে পুরুষ রা। চলুন দেখে নেওয়া যাক সেইসব অভ্যাসগুলো কী:

পুরুষ

পুরুষ এর ভালো লাগা

১। বুকে মাথা রেখে শোয়া– সারাদিনের খাটুনির পর একটু বিশ্রাম অথবা শোফায় বসে টিভি দেখা, এরকম সময় সব মেয়েরাই ভালোবাসার মানুষটির বুকে মাথা রেখে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে শুতে পছন্দ করেন। কাছের মানুষটির হাতের আড়ালে নিজেকে সবথেকে বেশি সুরক্ষিত মনে করেন। আর তাদের এমন অভ্যাস সঙ্গীর কাছেও প্রিয়।

২। ঘুমোনোর পদ্ধতি– ভালোবাসার মানুষকে শান্তিতে ঘুমাতে দেখলে নিজেও শান্তি পাওয়া যায়। প্রেমিকা বা স্ত্রীর ঘুমানোর ধরন যেমনই হোক না কেন, সে বিকট শব্দে নাক ডাকে নাকি হাঁ করে ঘুমায়; তা বিবেচ্য নয়। বরং ঘুম ভেঙে পাশে তাকে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে দেখলে প্রতিটি পুরুষ ই নিশ্চিন্ত বোধ করেন।

৩। ভয় পাওয়া– স্ত্রীকে ভয় পাইয়ে দিতেও পছন্দ করেন অনেক পুরুষ। আরশোলা কিংবা মাকড়সা দেখে স্ত্রী বা বান্ধবী চিৎকার করলে বিরক্ত না হয়ে বরং খুশিই হন তার পুরুষ সঙ্গী। প্রেয়সীর ভয়ের কারণ সেই আরশোলা কিংবা মাকড়সাটি মেরে নিজেকে অনেকটা বীর ভাবতে ভালোই লাগে তাদের।

৪। পাগলামি- হঠাৎ করে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই প্রেমিকার করা কিছু কাজ মজা দেয় তার স্বামী বা বন্ধুকে। অনেকের আবার এসব কাণ্ডে মাথা গরমও হয়। তবে এসবের জন্য তিনি খুশিই হন। কারণ তাকে ভালোবাসেন বলেই তো প্রেমিকা বা স্ত্রী এমন পাগলামি করেন।

৫। তৈরি হতে প্রচুর সময় নেওয়া- নাটক কিংবা সিনেমা সর্বত্রই মেয়েদের সাজগোজ করতে দেখানো হয় আর এজন্য তাদের স্বামীদের বিরক্তির অন্ত থাকে না। বাস্তবে কিন্তু নারীদের এমন দেরি বরং পছন্দই করেন তারা।

৬। সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নেওয়া- পুরুষ স্ত্রী বা প্রেমিকার কাছ থেকে নিজের খোঁজ-খবর নেওয়া প্রত্যাশা করেন। এতে যদি একটু বেশি ‘বাড়াবাড়ি’ হয় তাতেও তারা বরং খুশিই হন। কারণ এতে করে স্বামী বা বন্ধুর প্রতি স্ত্রী বা বান্ধবীর ভালবাসাই প্রকাশ পায়

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About ফারজানা হোসেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *