বসন্ত বা পক্স থেকে বাঁচার উপায় কী?

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে https://www.facebook.com/apoardoctor/ আজকের প্রশ্নঃআমাদের গ্রামে অনেক লোকের পক্স হয়েছে। পক্সে সমস্যা কমাতে বা এর থেকে বাঁচার উপায় কী?

বসন্ত

বসন্ত বা পক্স থেকে বাঁচার উপায়

বসন্ত বা পক্স মূলত দুই ধরনের। ‘চিকেন পক্স’ বা জল বসন্ত এবং ‘স্মল পক্স’ বা গুটি বসন্ত। এরমধ্যে গুটি বসন্তই সবচেয়ে মারাত্বক। ‘চিকেন পক্স’ বা জলবসন্তের প্রকোপ এখন পর্যন্ত থাকলেও ‘স্মল পক্স’ বা গুটিবসন্ত এখন আর দেখা যায় না। গত শতকের আশির দশকেই পৃথিবী থেকে গুটিবসন্ত নির্মূল হয়ে গেছে বলে মনে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এখন যে পক্সের সংক্রামণ হয় তা হচ্ছে জল বসন্ত।

 

জলবসন্ত রোগের আক্রমণে শরীরে পানিবাহি ছোট ছোট গোলাকার দানার সৃষ্টি হয় বলেই এর নাম জল বসন্ত। রোগীর শরীর থেকেই এই রোগের ভাইরাস সুস্থদের মধ্যে ছড়ায়। বাতাসের মাধ্যমে ছাড়াও রোগীকে স্পর্শ করা, রোগীর ব্যবহৃত জামা-কাপড়, বিছানার চাদর ও অন্যান্য ব্যবহার্য জিনিসের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। জল বসন্তের হাত থেকে বাঁচার প্রধান উপায় প্রতিষেধক টিকা। সাধারণত জলবসন্তে আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তির কোনো বিশেষ ওষুধের প্রয়োজন হয় না। কোনোরকম ওষুধ ছাড়াই সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায় জল বসন্ত।

 

আপনার গ্রামে যারা বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়েছে তাঁদের নিমপাতা, হলুদ একসঙ্গে শরীরে মেখে ৫-৬ দিন গোসল করিয়ে দিন। এটি ছোঁয়াচে রোগ বিধায় সুস্থ লেকেদের থেকে আক্রান্ত ব্যক্তির লেপ, কাঁথাসহ ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা রাখার চেষ্টা করুন। এসময় রোগীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ নজর দেওয়াটা জরুরি। তার ব্যবহার্য জিনিষপত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখা উচিত। বসন্ত রোগে আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। তবে গোসলের পর গা মোছার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে যাতে দানাগুলো ফেটে না যায়। সময়ের আগেই দানাগুলো ফেটে গেলে ওই স্থানে ঘা হয়ে যেতে পারে। ধন্যবাদ।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *