একবার হলেও ভিডিওটি দেখুন হঠাৎ বদলে যেতে পারে আপনার জীবনও!

একবার হলেও ভিডিওটি দেখুন বদলে যেতে পারে আপনার জীবনও
সুত্র:
(১) পবিত্র কোরআনে ৮০-৮২ বার নামাজ কায়েমের তাকিদ আল্লাহ পাক করেছেন।
(২) রাসূল সা: সারাটি জীবন বিসর্জন দিয়েছেন এই নামাজ কায়েম করার জন্য।
(৩)এমনকি মৃত্যুশয্যায় পর্যন্ত রাসুল সা: একাধীক বার বলেছেন, সালাত, সালাত, সালাত।
(৪)নামাজ মানুষকে ফাহেসা, খারাপ,যাবতীয় অন্যায় ও পাপ কাজ হতে বিরত রাখবে।

সুতরাং ইসলামে এই নামাজ কায়েমের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশী। নামাজই মানুষকে ফাহেসা কাজ হতে বিরত রাখবে। তাহলে জানা প্রয়োজন কিভাবে এই নামাজকে কায়েম করতে হবে। নীচে দেখুন উহার সমাধান। নামাজ কিভাবে কায়েম করবো ???? নামাজ কায়েমের অর্থ কি জানেন ? কায়েম অর্থ প্রতিষ্ঠিত করা । পড়া না। আল্লাহ পাক নামাজ পড়তে বলেননি। কায়েম করার জন্য বলেছেন।
সুতরাং কায়েম করতে হবে এভাবে , নিজে ৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতে আদায় করা। পরিবারের সকলকে নামাজী হিসাবে গড়ে তোলা। নিজ নিজ মসজিদের অাওতায় যত মুসলমান বালেগ পুরুষ ১০ বৎসরের উর্ধে আছে তাদের সকলকে ১০০% ৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে যাতে আদায় করে সেজন্য প্রত্যেকের ঘরে ঘরে গিয়ে নামাজের দাওয়াতের মাধ্যমে প্রত্যেক মুসলমানকে মসজিদমুখি করাই নামাজ কায়েমের আসল উদ্দেশ্য এবং সেই ব্যবস্থা করা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানী দায়ীত্ব। এবং নিজ নিজ স্ত্রী, মা , বোন, ও কন্যা সন্তানগনকে নিজ বাসায় ফাজায়েলে তালিমের মাধ্যমে সকলকে আজানের সাথে সাথে (আউয়াল ওয়াক্তে ) ৫ ওয়াক্ত নামাজী করে গড়ে তোলা। তাদেরকে পূর্ন পর্দার সহিত পরিচালনা করা। ইহাকেই বলে নামাজ কায়েম করা।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *