সাকিবের পাশের বাড়ির ফাহিমার গল্প…

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের পাশের বাড়ির মেয়ে ফাহিমা খাতুনের চোখে ক্রিকেটের স্বপ্ন ছোটবেলা থেকেই। বড় ভাইয়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে আর বোনের সমর্থনেই ক্রিকেট খেলতেন ফাহিমা, সতীর্থ সব ছিল পাড়ার ছেলেরা। দুষ্ট ছেলের দলে নাম লিখিয়েছিলেন দস্যি মেয়ে ফাহিমা, খেলার জন্য ঘুরে বেড়াতেন এপাড়া থেকে ওপাড়া। তখন ছিলেন পেসার আর ব্যাটার। অথচ অদ্ভুতভাবে জাতীয় দলে ফাহিমা হয়ে গেছেন লেগস্পিনার।

সাকিবের

সাকিবের পাশের বাড়ির ফাহিমার গল্প…

মাইকে শুনেছিলেন, মেয়েদের ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় খোঁজা হচ্ছে। ট্রায়ালে গিয়ে দেখেন আগ্রহী যারা এসেছে তাদের সবার চেয়েই ভালো খেলেন ফাহিমা।

অন্যরা যখন ক্রিকেটের প্রাথমিক পাঠেই ব্যস্ত, তখন ফাহিমাকে দেখিয়ে কোচ শেখাচ্ছেন ছেলেদের। ক্রিকেট বলে ক্যাচ ধরার কৌশল ফাহিমাকে দেখিয়েই কোচ শেখাচ্ছিলেন অন্যদের। অনুশীলন ক্যামেপ ভালো করলেন, এরপর এক কোচের নজরে পড়ে বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় খেললেন বরিশাল বিভাগের হয়ে। কারণ চ্যাম্পিয়ন খুলনা দলে যে জায়গা নেই! বরিশালের হয়ে ভালো করার সুবাদে পরে ডাক পেয়ে যান খুলনার বিভাগীয় দলেও। সেই সিঁড়ি বেয়ে জাতীয় দলে আসা। আহমেদাবাদে ভারতের মহিলা দলের বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষেক ফাহিমার। তত দিনে ব্যাটার, পেসার থেকে লেগস্পিনার বনে গেছেন! কাঠের বলে একদিন অনুশীলনেই একজনকে পেস বোলিং না করে দুই পা হেঁটে হাত ঘুরিয়ে বল করেছিলেন ফাহিমা। বলটা বাঁকও নিয়েছিল খুব। যাঁকে বল করছিলেন, তিনি জেলা পর্যায়ের ক্রিকেটার। তাঁর উৎসাহেই লেগস্পিনার বনে যাওয়া ফাহিমার। এতই উৎসাহী হয়ে গেলেন লেগস্পিনে যে পেস বলের গ্রিপটাও গেছেন ভুলে! সাকিবের পাশের বাড়ির মেয়ের প্রিয় ক্রিকেটার সাকিব ছাড়া আর কে-ই বা হবেন! তাঁর একটা কথা খুব মানেন ফাহিমা। খেলোয়াড়ি জীবনে অনেক কোচই আসবেন, শেখাবেন অনেক কিছুই। কিন্তু নিজের যেটা সবচেয়ে ভালো মনে হবে, সেটাই যেন করা হয়।-কালের কন্ঠ

এশিয়া ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি দেখতে এই লিংকটি সেভ করে রাখুন

 

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *