স্যারকে অনেক বলছিলাম কিন্তু …

শিক্ষক মানে গুরুজন ব্যক্তি। শিক্ষকের হাতে তৈরি হয় একজন দেশ প্রেমিক ও আদর্শ মানুষ। কিন্তু শিক্ষক যখন কোন ছাত্রীর সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয় তখন সমাজের শিক্ষক নামের শিক্ষাগুরুর উপর থেকে বিশ্বাস উঠে যায়। বাবা মা অনেক স্বপ্ন নিয়ে একটি সন্তানকে শিক্ষকের হাতে তুলে দেয়। আর এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে ছাত্রীর সরলতার সুযোগ নিয়ে এই সমাজে শিক্ষক নামের নরপশুরা ঘটাচ্ছে নানা অপকর্ম। আর এমননি এক ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুর জেলার কাহারুল থানাধীন এক কোচিং সেন্টারে।

কিন্তু

স্যারকে অনেক বলছিলাম কিন্তু …

 

ছাত্রীটি সাংবাদিকদের বলেছেন, ২০১২ সালে আমি যখন নবম শ্রেণীর ছাত্রী তখন একটা কোচিং সেন্টারে ভর্তি করিয়ে দেয় আমার বাবা। আমার সব বন্ধুরা সেখানে ছিল তাই আমিও ওখানে ভর্তি হলাম। কিছু দিন যাওয়ার পর আমার সাথে আনারুল স্যার বেশি ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করতো। তিনি আমাকে বেশি বেশি সাহায্য করতেন। পরীক্ষার সময় হেল্প করতেন। হঠাৎ করে তিনি একদিন কোচিং শেষ করে থাকতে বলেন।

Loading...

আমি অনেক কেঁদেছি, কিন্তু সে জানোয়ার আমাকে অনেকবার..

আমি কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। স্যার বলেন আমোকে এস.এস. সি পরীক্ষায় গোল্ডেন নিয়ে দিবে আরো নানা ভাবে লোভ দেখাতে থাকেন। সেই থেকে আমি স্যারের সাথে কথা বলার জন্য প্রতিদিন ক্লাস শেষে থাকতাম। কিছু দিন চলার পর আমার খুব কাছের মানুষ হয়ে গেলেন স্যার।

পড়ুন  বাবা হলেন তামিম ইকবাল...

আমার বুক,স্বামীর কর্মকান্ড!… বিস্তারিত পড়ুন

চলতে চলতে একদিন রুমের মাঝে নিয়ে গিয়ে আমাকে বিছানায় ফেলে…….এবং ভিডিও করতো..এই ভাবে অনেকবার ভিডিও করেছে….আর এই ভাবে বর্বর কাহিনীর বিবরণ দিতে থাকে নবম শ্রেনীর ছাত্রী পারভীন আক্তার।

Loading...

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.