ও বয়সে ছোট, কিন্তু আমাদের মাঝে অনেক কিছু হয়েছে….

জীবন থাকলে সম্পর্ক থাকবেই। আর সম্পর্ক থাকলে থাকবে সমস্যা। প্রতিদিন ফেসবুকের ইনবক্সে ও ই-মেইলে আমরা অসংখ্য সম্পর্ক ভিত্তিক প্রশ্ন পাই, যেগুলোর কথা হয়তো কাউকেই বলা যায় না। পাঠকদের করা সেইসব গোপন প্রশ্নের উত্তর দিতেই আমাদের নিয়মিত আয়োজন….

আপনি চাইলে নিজের এমনই কোন একান্ত ব্যক্তিগত সমস্যার কথা লিখে জানাতে পারেন আমাদের। আমরা প্রতিদিন চেষ্টা করবো বাছাইকৃত কিছু সমস্যার সমাধানে কাঙ্ক্ষিত পরামর্শটি দেবার। সমস্যার কথা লিখে জানান আমাদের ফেসবুক পেজের ইনবক্সে। নাম গোপন রাখতে চাইলে লিখে দেবেন “নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক”।

ও

ও বয়সে ছোট, কিন্তু আমাদের মাঝে অনেক কিছু হয়েছে….

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন নিজের সমস্যার কথা।
“আপু, আমার একজন বয়ফেন্ড আছে। ও খুব কেয়ারিং, বয়স আমার চেয়ে অনেক ছোট হওয়ার পরও। সে আমার খুব খেয়াল রাখে, আমার পাশে থাকে সবসময়। ও আমার জন্য এমন অনেক কিছুই করে যা অন্য প্রেমিকেরা করে না। ওর সাথে রিলেশন জানার পর আমার আমার পরিবারে খুব ঝামেলা হয়। কারণ তাঁরা চায় আমি অনেক ভাল কাউকে বিয়ে করি।

রিলেশন জানার পর পারিবারিক কারণে আমি অনেক কষ্ট পাই। তখন অনেক সম্ভাবনা ছিল প্রেমিক আমাকে ছেড়ে দেওয়ার, কারণ তখন আমাদের রিলেশনের বয়স মাত্র কয়েক মাস। কিন্তু সে তা করেনি।
আপু বলতে লজ্জা লাগছে, কিন্তু অনেক সময় কাছাকাছি থাকার ফলে আমাদের মাঝে অনেক কিছু হয়েছে। ও বলে, আর যাই করি বিয়ের আগে এটা করব না। কিন্তু ও চাইলেই অনেক কিছু করতে পারতো। সবসময় বলছে আমিও চাইনা তোমার ইচ্ছার বাইরে কিছু করতে।

সবই ঠিক আছে কিন্তু সমস্যা হল, ওর লেখাপড়া শেষ হয়েছে বাট সে নিজের ক্যারিয়ারের ব্যাপারে খুবই অচেতন। কিছু করে না। চেষ্টাও নেই। আর সব থেকে বড় কথা কিছু নিয়ে রেগে গেলে মাথা ঠিক থাকেনা। অল্পতেই রেগে যায়, খুবই রাগারাগি করে, বকা দেয়। যা আমি কোনভাবেই মানতে পারিনা। অনেক বুঝিয়েছি কিন্তু যা তা-ই। আর সে খুব বন্ধু পাগল। বন্ধু বান্ধবীদের সাথে খুব মেলামেশা করে। আমি ওর বান্ধবীদের সাথে মেলামেশাও মেনে নিতে পারি না। ওর একজন বান্ধবী আছে, তাঁর উদ্দেশ্য আমার মোটেও ভালো লাগে না কিন্তু সেই মেয়েটি ওর বেস্ট ফ্রেন্ড। কী করব এখন?

বাবা ও ছেলে দুজনেরই এক প্রেমিকা ! এও কি সম্ভব? বিস্তািরিত পড়ুন

ওর আরও একটা সমস্যা আছে, ও সব কথা আমার কাছ থেকে লুকায়। মনে হয় যেন অনেক কিছুই ও আমাকে বলছে না। আমি শুনেছি যে সে আজকাল নেশা করতেও শুরু করেছে। সিগারেট খায়, ফেনসিডিল আর ইয়াবাও খায় শুনেছি। ওই মেয়েটিই তাঁকে এই পথে নিয়ে গেছে। অন্তত আমার তাই মনে হচ্ছে।

এখন আমার কী করা উচিত আপু একটু বলবেন প্লিজ। ওর এই জিনিসগুলো আমাকে অনেক কষ্ট দেয়। কিন্তু আমি নিশ্চিত ও আমাকে অনেক ভালোবাসে। কিন্তু মেয়েটিকে আমার সহ্য হয় না। (লেখাটা অনেক বড় আর এলোমেলো হয়ে গেল আপু। প্লিজ একটু বুঝে নিবেন।)”

পরামর্শ:
তোমার চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে ছেলেটি তোমাকে বেশ ভালোবাসে। এবং তোমার প্রতি তাঁর ভালোবাসা সৎ। তবে তোমাদের বয়স খুবই কম, আমি পরামর্শ দেব এখনোই বিয়ের কথা ভাববে না।
যাই হোক, বেশী রাগ করা বা ক্যারিয়ার সচেতন না হওয়া আসলেই বেশ বড় একটি সমস্যা। এই রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য তোমরা মনরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করতে পারো। নিয়মিত থেরাপি নিলে ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। অতিরিক্ত রাগ এক রকমের মানসিক সমস্যাই। টাকা খরচে অসুবিধা থাকলে অনেক স্থানেই ফ্রি কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা আছে। একটু খোঁজখবর করে সেখানে যেতে পার।

সবই ঠিক আছে কিন্তু সমস্যা হল, ওর লেখাপড়া শেষ হয়েছে বাট সে নিজের ক্যারিয়ারের ব্যাপারে খুবই অচেতন। কিছু করে না। চেষ্টাও নেই। আর সব থেকে বড় কথা কিছু নিয়ে রেগে গেলে মাথা ঠিক থাকেনা। অল্পতেই রেগে যায়, খুবই রাগারাগি করে, বকা দেয়। যা আমি কোনভাবেই মানতে পারিনা। অনেক বুঝিয়েছি কিন্তু যা তা-ই। আর সে খুব বন্ধু পাগল। বন্ধু বান্ধবীদের সাথে খুব মেলামেশা করে। আমি ওর বান্ধবীদের সাথে মেলামেশাও মেনে নিতে পারি না। ওর একজন বান্ধবী আছে, তাঁর উদ্দেশ্য আমার মোটেও ভালো লাগে না কিন্তু সেই মেয়েটি ওর বেস্ট ফ্রেন্ড। কী করব এখন?

তবুও ভাইয়া একের পর এক অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক করছে….বিস্তারিত পড়ুন

ওর আরও একটা সমস্যা আছে, ও সব কথা আমার কাছ থেকে লুকায়। মনে হয় যেন অনেক কিছুই ও আমাকে বলছে না। আমি শুনেছি যে সে আজকাল নেশা করতেও শুরু করেছে। সিগারেট খায়, ফেনসিডিল আর ইয়াবাও খায় শুনেছি। ওই মেয়েটিই তাঁকে এই পথে নিয়ে গেছে। অন্তত আমার তাই মনে হচ্ছে।

এখন আমার কী করা উচিত আপু একটু বলবেন প্লিজ। ওর এই জিনিসগুলো আমাকে অনেক কষ্ট দেয়। কিন্তু আমি নিশ্চিত ও আমাকে অনেক ভালোবাসে। কিন্তু মেয়েটিকে আমার সহ্য হয় না। (লেখাটা অনেক বড় আর এলোমেলো হয়ে গেল আপু। প্লিজ একটু বুঝে নিবেন।)”

পরামর্শ:
তোমার চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে ছেলেটি তোমাকে বেশ ভালোবাসে। এবং তোমার প্রতি তাঁর ভালোবাসা সৎ। তবে তোমাদের বয়স খুবই কম, আমি পরামর্শ দেব এখনোই বিয়ের কথা ভাববে না।
যাই হোক, বেশী রাগ করা বা ক্যারিয়ার সচেতন না হওয়া আসলেই বেশ বড় একটি সমস্যা। এই রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য তোমরা মনরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করতে পারো। নিয়মিত থেরাপি নিলে ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। অতিরিক্ত রাগ এক রকমের মানসিক সমস্যাই। টাকা খরচে অসুবিধা থাকলে অনেক স্থানেই ফ্রি কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা আছে। একটু খোঁজখবর করে সেখানে যেতে পার।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *