নখ ভঙ্গুর হলে কি করনীয়

নখ নখ ভঙ্গুর হলে কি করনীয়

 

নখ ভঙ্গুর হলে নিয়মিত নখে রসুনের কোষ ঘষুন। ভাঙার প্রবণতা কমে যাবে। এ ছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে অলিভ ওয়েল বা পেট্রোলিয়াম জেলি  লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করলে নখ উজ্জ্বল ও শক্ত হবে।
যাঁদের নখ পাতলা কিংবা ভেঙে যায় তাঁরা নেইল পলিশের বেজ হিসেবে নেইল হার্ডনার লাগাতে পারেন। প্রসাধনীর বড় দোকানে আলাদা কিনতে পাবেন। এটি দেখতে অনেকটা নেইল পলিশের মতোই। একইভাবে ব্যবহার করতে হয়।

দাগ পড়লে

অনেক সময় নখে কালচে বা সাদা দাগ পড়ে। এর অন্যতম কারণ হলো  অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা। অর্থাৎ নেইল পালিশ, নেইল রিমুভার ইত্যাদির বেশি ব্যবহার।
একটানা কয়েক দিন নেইল পালিশ  লাগিয়ে রাখবেন না। তিন-চার দিন পর পর নেইল পালিশ তুলে আবার নতুন করে লাগান। সম্ভব হলে এর মাঝে দু-এক দিন  কিছু লাগাবেন না।
এতে এর  স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় থাকবে।  ওপরে হলদে দাগ পড়লে সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। একটু লেবুর রস নখে ঘষলে দাগ দূর হবে।

পেডিকিওর-ম্যানিকিওর

রূপবিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী, মাসে অন্তত দুবার পেডিকিওর ও ম্যানিকিওর করা ভালো। সেটা বাড়িতে বসেও করতে পারেন। অনেক সময় নখের কোনায় মরা চামড়া উঠে থাকে বা ছোট  মতোই কিছুটা অংশ উঠে আসে।
যার ফলে এর  পাশে ব্যথা করে, ফুলে যায়। এ থেকে রেহাই পেতে কিউটিকল ওয়েল দিয়ে হালকাভাবে নখের ওপর ম্যাসাজ করে নিন। এরপর কিউটিকল পুশার দিয়ে আস্তে আস্তে পেছনের দিকে ঠেলে মরা চামড়াগুলো পরিষ্কার করে নিন।
পরে নেইল কাটারের সাহায্যে পছন্দমতো আকারে  কেটে নেইল ফাইল দিয়ে নখের ধারগুলো মসৃণ করে নিন।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

 

নখ পরিষ্কার রাখাটা খুবই জরুরি।এর ময়লা খাবারের মাধ্যমে পেটে গিয়ে নানা রোগবালাই হতে পারে। যাঁরা দাঁত দিয়ে  কাটেন, তাঁরা দ্রুত এ অভ্যাস ত্যাগের চেষ্টা করুন।

এর ফলে শুধু নখের সৌন্দর্যহানিই হয় না, পেটের অসুখও হওয়ার আশঙ্কা থাকে বলে জানালেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের চর্ম ও যৌনব্যাধি বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. আতিকউল্লাহ।
নখের বড় সমস্যা ছত্রাক সংক্রমণ নিয়েও সাবধানতার কথা জানালেন তিনি। যাঁরা পানিতে কাজ করেন তাঁদের হাত স্যাঁতসেঁতে হয়ে ছত্রাক সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে।
ফলে অনেক সময় নখে হলুদ বা কালো দাগ পড়ে। প্রয়োজন হলে তখন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বায়োটিন ট্যাবলেট খেতে পারেন।

নখের পুষ্টি

শুধু বাইরে থেকে যতই এর যত্ন করি না কেন খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না দিলে কি আর চলে। এ নিয়ে মো. আতিকউল্লাহর পরামর্শ হলো, খাদ্যতালিকায় বায়োটিনযুক্ত (ভিটামিন বি কমপ্লেক্স) খাবার যেমন কলিজা, দুধ, ডিম, মাশরুম, মসুরের ডাল ইত্যাদি যোগ করুন।
শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাবে  ভাঙার প্রবণতা দেখা যায়। তাই ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া প্রচুর পানি পান করুন। এতে এর ত্বকের শুষ্কতা কমে যাবে।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About Farzana Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *