হস্তমৈথুন কি ? হস্তমৈথুনের কি উপকারীতা আছে ? এর ফলে কি কি সমস্যা হতে পারে ?

হস্তমৈথুন

হস্তমৈথুন সম্পর্কিত মূল্যবান তথ্য

আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের আজকের এই পোষ্টটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।হস্তমৈথুন খুবই কমন একটি ব্যাপার, কারো করো কাছে হস্তমৈথুন নেশায় পরিণত হয়েছে। আজ আলোচনায় আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব যে, হস্তমৈথুন কি ? হস্তমৈথুনের কি উপকারীতা আছে ? এর ফলে কি কি সমস্যা হতে পারে ?

‪# হস্তমৈথুন ‎কি‬ ?

প্রথমত হস্তমৈথুন মানে যৌন পরিতোষের জন্য পুরুষের লিঙ্গ অথবা নারী তার ভগাঙ্কুর ঘর্ষণ এবং স্তন স্পর্শ করে যৌন আনন্দ উপভোগ করা। এটা একটা স্বাভাবিক উপায় নারী-পুরুষের নিজস্ব অনুভুতি এক্সপ্লোর করার জন্য। হস্তমৈথুন নিজে নিজে অথবা দুটি মানুষের (পারস্পরিক হস্তমৈথুন) মধ্যে হতে পারে।

 

‪#‎ হস্তমৈথুনের উপকারীতা:

চিকিৎসা বিজ্ঞানীর মতে হস্তমৈথূন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। যদিও এটি স্বাভাবিক কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ হস্তমৈথূন করাকে লজ্জার এবং অস্বস্তির বিষয় মনে করে। অনেক মানুষ মনে করেন হস্তমৈথূন করলে মাথায় টাক পড়া, মানসিক অস্বস্তি সহ যৌন মিলনের শক্তি হ্রাস পায় – যা চিকিৎসা বিজ্ঞান সমর্থন করেনা। চিকিৎসকদের মতে –

ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুন সম্পর্কে জেনে নিন

এটি নিরাপদ, সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (যৌনবাহিত রোগ) এবং অনাকাঙ্খিত গর্ভধারন থেকে নিরাপদ থাকা যায়। এটি যৌনসম্পর্কিত মানসিক দুশ্চিতা দূর করতে সাহায্য করে।♂ হস্তমৈথূনের মাধ্যমে নারী বা পুরুষ তার শরীর সম্পর্কে জানতে পারে। তার ভাললাগার অনুভুতি কি রকম তা জেনে যুগল শাররীক মিলনে সে অভিজ্ঞতা ব্যবাহার করে তৃপ্ত হতে পারে।♂ হস্তমৈথূন যেসব নারী মিলনে তৃপ্তি পায়না এবং যেসব পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত হয় তাদের জন্য একটি কার্যকরী চিকিৎসা স্বরুপ। হস্তমৈথূনের মাধ্যমে তারা তাদের শরীরের নিয়ন্ত্রন শিখতে পারে। হস্তমৈথূন স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় করে।

হস্তমৈথুন ছাড়ার কার্যকরী উপায়

‪#‎ হস্তমৈথুনের ক্ষতি‬:

অনেক পুরুষ অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্য জনিত কারনে তাদের লিঙ্গে দুর্বলতা অনুভব করেন। এটার প্রধান কারন অল্প বয়সে হস্তমৈথূন্য শুরু করা এবং ভুল পদ্ধতিতে হস্তমৈথূন্য করা। যারা অল্পবয়সে হস্তমৈথূন্য করেন তারা বিয়ের পর সংসার জীবনে নানান জটিলতায় ভুগে থাকেন। এমনকি অল্পবয়সে হস্তমৈথূন্যের ফলে লিঙ্গের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয় বলে লিঙ্গের আকার ছোট থেকে যেতে পারে। তাই বাবা-মার উচিৎ বয়সন্ধিকালে সন্তানকে নজরদারীতে রাখা এবং যৌন বিষয়গুলো শিক্ষার সুযোগ করে দেয়া। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে তৃতীয় শ্রেনী থেকে পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা বিষয়টি অন্তভুক্ত আছে।অথচ লজ্জা আর সামাজিক কারনে আমরা অনেক অন্ধকারে রয়ে গেছি আমরা।

 

অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্যের ফলে শক্তি হ্রাস সহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হল:

শাররীক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা। যৌন ক্রিয়ায় সাথে জড়িত স্নায়তন্ত্র দুর্বল করে দেয় অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থতি সৃষ্টি করে।শরীরের অন্য অঙ্গ যেমন হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে। দৃষ্টি শক্তি দুর্বল করে দেয় এবং মাথা ব্যাথা সৃষ্টি করে।হৃদকম্পনে দ্রুততা আসে এবং অনেকে নার্ভাস ফিল করতে পারেন।ব্যক্তি কোনো কঠিন শারীরিক বা মানসিক কাজ এর অসমর্থ. তিনি সাধারণত নির্জনতায় থাকতে চেষ্টা করে এবং তার জ্ঞান বৈকল্য হয়। দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারন অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য।

ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুনের ক্ষতিসমূহ

প্রায় প্রতি তিনজনের একজন পুরুষ যারা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য করেন তারা নারী সঙ্গীর সাথে শারীরিক মিলনের সময় লিঙ্গথ্থান বা ইরিটিক্যাল ডিসফাংশান সমস্যায় ভোগেন। তবে ইসলামে হস্তমৈথুন করা কবিরা গুনাহ। তাই আমাদের এই কাজ থেকে বিরত থাকা উত্তম। এই কাজে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি।

আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

3 comments

  1. আমি যখন ৫ম শ্রেনিতে পড়ি তখন থেকে হস্তমৈথুন করি।আমি এখন অনার্স ২য় বর্ষে।বিগত এক দেড় বছর ধরে আমার আগের মত যৌন উত্তেজনা হয় না লিঙ্গ ও বেশি শক্ত হয় না।এখন আমি আগের মত হস্তমৈথুন করি না।এক মাস বা দু মাসে এক বার।আগে দু একদিন পরপরই করতাম।এখন আমি কি করব?

  2. আপনাদের সাথে আছি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *