যৌনমিলনের পরেও নারীদের “ভার্জিন” থাকার উপায় (ভিডিওসহ)

যৌনমিলনের

যৌনমিলনের পরেও ভার্জিন

যৌনমিলনের পরেও নারীদের “ভার্জিন” থাকার উপায় (ভিডিওসহ)
নারীর যোনিতে অবস্থিত পর্দাটি ছিঁড়ে গেলে নারী ভার্জিনিটি হারায়।নারীর ভর্জিনিটি হারানোর অনেক কারণ আছে।তবে স্বাভাবিকভাবে যৌনমিলনের মাধ্যমে নারী ভর্জিনিটি হারায়।এছাড়া ভারী কোন কাজ, খেলতে গিয়ে বা সাঁতার কাটতে গিয়েও নারী ভর্জিনিটি হারাতে পারে। আগে জানতাম এই যে যৌনমিলনের পর নারীর যোনিতে অবস্থিত পর্দাটি (হাইমেন) ছিঁড়ে যায়। এই পর্দার উপস্থিতিই হচ্ছে নারীর সতীত্বের পরিচায়ক। এখন শুনতে পাচ্ছি অপারেশনের মাধ্যমে এই হাইমেন আবার পুনরায় স্থাপিত করা যায়। একাধিক পুরুষের সাথে যৌনমিলন করার পরও এই অপারেশন করিয়ে নিলে নারী আবার নিজেকে ভার্জিন হিসাবে উপস্থাপন করতে পারবেন। বিষয়টি আসলে কতটুকু সঠিক? – এ প্রশ্ন অনেকেরই।
প্রথম কথা, যৌনমিলনের পর নারী বা পুরুষ কেউই “ভার্জিন” থাকেন না। যদি আপনি নারীদের “ভার্জিন” থাকা বলতে হাইমেন বা সতীচ্ছেদ পর্দা অটুট থাকা বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে বলতে হয় যে যৌনমিলন করার পর এই পর্দা অটুট থাকে না। তবে এটাও সত্যি যে যৌনমিলন ছাড়াও এই পর্দা ছিঁড়ে যেতে পারে। কেউ এই পর্দা ছাড়াই জন্ম গ্রহণ করতে পারে।

কিভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী ভার্জিন কি না ভার্জিন হবার লক্ষনসমূহ কি কি?

 

একটু বুঝিয়ে বলছি, পড়ে নিন।
প্রথমবার যৌনমিলনের সময় যদি কারো রক্ত বের হয়, সেটা বের হয় মেয়েদের যোনিপথের ভেতরে একটা খুব পাতলা স্বচ্ছ আবরন ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে। যাকে মেডিকেলের ভাষায় বলে হাইমেন। তাই বলে এটা ভাবা ঠিক নয় যে পবিত্র মেয়ে বলতে তাকেই বোঝায়, যার হাইমেন আছে। মেয়েদের হাইমেনে কখনও এটা অনেক ফাঁকা থাকে, কখনও এটা কম ফাঁকা থাকে, কখনও একটুও ফাঁকা থাকে না। এই বিষয়টা নির্ভর করে মাসিক চক্রের সময়ের সাথে সাথে। কিন্তু এমন অনেক মেয়ে আছে, যাদের মাসিকের বর্জ্য পদার্থগুলো তার হাইমেন বা পর্দার কম ফাঁকা থাকার কারনে ঠিক মত বের হয়ে আসতে পারে না। আর তাই তাদের যোনিতে খুব চাপের সৃষ্টি হয় এবং এজন্য মৃত্যুও হতে পারে। তাই ডাক্তাররা জীবন বাঁচাতে সেই হাইমেন বা পর্দাকে অপারেশন করে ফেলে দিতে বাধ্য হয়। এমন অনেক মেয়ে আছে, যারা হাইমেন বা পর্দা ছাড়াই জন্মগ্রহন করে। অনেকে একসিডেন্ট করে বা বড় কোন আঘাত পেয়েও হাইমেন হারায়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, অপারেশন করে এই হাইমেন জোড়া দেয়া যায় কিনা। হ্যাঁ, সেটা জোড়া দেয়া যায়। একে বলে হাইমনোপ্লাসটি। আমাদের দেশে এটা এখনো করা যায় না। তবে পাশের দেশ ভারত থেকে শুরু করে মোটামুটি সমগ্র বিশ্বেই করা যায়। ছোট্ট একটি প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে প্লাস্টিক সার্জনরা এই হাইমেন আবার জোড়া লাগিয়ে দেন এবং ফল সরূপ যৌনমিলন বা অন্য যেকোন কারণে হাইমেন ছিঁড়ে গেলেও যে কোন পুরুষই উক্ত নারীকে আবার ভার্জিন মনে করে বসেন। খুব বেশি খরচও হয় না এই সার্জারিতে।
আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।
– ডা. রীতা রানী

Loading...

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *