খাদ্যে অরুচি কেন হয়? কি করে খাদ্যে রুচি বাড়ানো সম্ভব? ৭ টি টিপস

প্রশ্নঃখাদ্যে অরুচি কেন হয়? কি করে খাদ্যে রুচি বাড়ানো সম্ভব?

উত্তরঃ খাদ্যে রুচি বাড়াতে করণীয়। খিদে পায় না, কিছু খেতে ইচ্ছে করে না বা খাবার রুচি নেই। মাঝেমধ্যে অনেকেই এমন সমস্যার কথা বলেন। কখনো সাধারণ জ্বর, সংক্রমণ, গ্যাস্ট্রিক আলসার বা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় খাবারের রুচি কমে যায়। আপাত এই ছোট সমস্যাটি হতে পারে বড় মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ। সাধারণ ভাইরাস জ্বরেও খাদ্যে রুচি কমে যায়। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে সৃষ্টি করে বড় সমস্যা। এ সময় প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়, যা পরিমাণে কম হলেও যেন শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। তবে অরুচির সঙ্গে অন্য কিছু ঝুঁকিপূর্ণ উপসর্গ থাকলে শিগগিরই কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। কেননা কেবল অরুচিই হতে পারে বিভিন্ন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ। খেয়াল রাখুন অরুচির সঙ্গে ওজন কমে যাচ্ছে কি না, রক্তশূন্যতা আছে কি না, দুর্বলতা, খাবার গিলতে সমস্যা, পেটের ব্যথা, দীর্ঘদিনের হজমে গোলমাল, পেটে বা শরীরের কোথাও চাকা ইত্যাদি রয়েছে কি না। এসব লক্ষণ থাকলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সহজপাচ্য ও মুখরোচক খাবার, ফল বিশেষত টক ফল যেমন আমড়া, বরই, আচার, লেবু ইত্যাদি খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করা যায়। কিন্তু সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি ও তীব্র হলে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা উচিত। ধন্যবাদ আপু l

Loading...

খাদ্যে রুচি

খাদ্যে রুচি বৃদ্ধির উপায়

আপনি যতটা পানি খান তা আপনার জন্য পর্যাপ্ত নয়! বেশী বেশী করে ঘন ঘন পানি খান। তাহলে দেখবেন খুধা বাড়বে আর সে সাথে খাবারের পরিমানটা একটু একটু করে বাড়িয়ে দিন। একটু পর পর নাস্তা করুন বা কিছু খান অল্প করে দেখবেন অরুচি চলে গিয়ে সাস্থ্য ভালো হয়ে গেছে। আর এটা আসলে কোন রোগ নয় মনের দুর্বলতা! আশা করি জলদি ভালো হয়ে উঠবেন!!!

পড়ুন  বিনা শ্রমে মাত্র ১০ দিনে ৫ কেজি ওজন কমাবে এই তোকমা দানা

খাবার রুচি কমানোর কোন উপায় আছে কি?

খিদে পায় না, কিছু খেতে ইচ্ছে করে না বা খাবার রুচি নেই। মাঝেমধ্যে অনেকেই এমন সমস্যার কথা বলেন। কখনো সাধারণ জ্বর, সংক্রমণ, গ্যাস্ট্রিক আলসার বা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় খাবারের রুচি কমে যায়। আপাত এই ছোট সমস্যাটি হতে পারে বড় মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ। সাধারণ ভাইরাস জ্বরেও খাদ্যে রুচি কমে যায়। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে সৃষ্টি করে বড় সমস্যা। এ সময় প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়, যা পরিমাণে কম হলেও যেন শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। তবে অরুচির সঙ্গে অন্য কিছু ঝুঁকিপূর্ণ উপসর্গ থাকলে শিগগিরই কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। কেননা কেবল অরুচিই হতে পারে বিভিন্ন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ। খেয়াল রাখুন অরুচির সঙ্গে ওজন কমে যাচ্ছে কি না, রক্তশূন্যতা আছে কি না, দুর্বলতা, খাবার গিলতে সমস্যা, পেটের ব্যথা, দীর্ঘদিনের হজমে গোলমাল, পেটে বা শরীরের কোথাও চাকা ইত্যাদি রয়েছে কি না। এসব লক্ষণ থাকলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সহজপাচ্য ও মুখরোচক খাবার, ফল বিশেষত টক ফল যেমন আমড়া, বরই, আচার, লেবু ইত্যাদি খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করা যায়। কিন্তু সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি ও তীব্র হলে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা উচিত। ধন্যবাদ আপু l

খাদ্যে রুচি বাড়ানোর ৭ টি পদ্ধতি

১. দিনের প্রধান খাবারকে ভাগ করুন ৬ ভাগে (Eat small, frequent meals)
আমাদের দেশে সাধারণত তিনটি প্রধান সময়ে মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে। সকালে, দুপুরে এবং রাতে। এই খাবারের পরিমাণ কিছুটা বেশি হয়ে থাকে যা স্বল্প রুচির ব্যক্তির জন্য গ্রহণ করাটা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাই দিনের খাবারকে ছোট ছোট ৬ টি ভাগে ভাগ করে নিন। এই পদ্ধতিতে খেলে নিজেকে ভারী মনে হবে না, এছাড়া ক্ষুধা বাড়বে। যাদের খাবারে একদমই রুচি (appetite) নেই, তারা নিজেদের পছন্দের সময়ে খাদ্য (diet) গ্রহণ করতে পারেন।

পড়ুন  সুস্থ্ থাকতে মাত্র ১০ টি ঘরোয়া টিপস

২. আপনার পছন্দের খাবারগুলোই রাখুন দৈনিক খাদ্য তালিকায় (Choose your favorite foods)
সাধারণত এদেশের মানুষ খুব একটা পছন্দের না হলেও বাসায় যা রান্না হয় তা ই খেয়ে নেয়। কিন্তু স্বল্প রুচির ব্যক্তিদের পক্ষে এ ব্যাপারটা বেশ কঠিন। তাই দৈনিক খাদ্য তালিকায় রাখুন আপনার পছন্দের খাবারগুলোই। তবে সে খাবারগুলো যদি ফ্যাট (fat) যুক্ত, তেলে ভাজা হয়ে থাকে তবে পরিমাণের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

৩. খাবারে যুক্ত করুন ধনেপাতা, পুদিনা এবং বিভিন্ন মশলা (Use herbs and spices in cooking)
অনেক সময় খাবারের সুন্দর গন্ধই (food smell) মানুষের রুচি বাড়িয়ে তোলে। তাই খাবার তৈরির সময় এতে এমন মশলা ব্যবহার করুন যা সুঘ্রাণ তৈরি করে এবং স্বাদ বাড়িয়ে তোলে। ধনে পাতা, পুদিনা এসবও খাবারের সুঘ্রাণ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। সেই সাথে বাড়িয়ে দেয় ক্ষুধা (increase hunger)।

৪. আঁশযুক্ত খাবার কম গ্রহণ করুন (Eat less fiber)
যদিও আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য আঁশযুক্ত (fibre) খাবার অপরিহার্য, কিন্ত খাবারে রুচি বৃদ্ধি করার জন্য কিছুদিন আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণ বন্ধ রাখা যেতে পারে। আঁশযুক্ত খাবার হজম (digest) হতে কিছুটা বেশি সময় লাগে যা আমাদের ক্ষুধাবোধকে দমিয়ে রাখে। ভাত, আলু, ইত্যাদি খাবারের পরিবর্তে আটার রুটি প্রধান খাবার হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। তবে দীর্ঘদিন এ অবস্থায় থাকা উচিত নয়, কারণ শরীর অন্যান্য চাহিদা পূরণে আঁশযুক্ত খাবারের কোন বিকল্প নেই।

পড়ুন  কাশি হলে যা করবেন জেনে রাখুন

৫. খাবার সময়গুলোকে আকর্ষণীয় করে তুলুন (Make meal times pleasant)
খাবারের রুচি বাড়াতে পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই যতটা সম্ভব আকর্ষণীয় করে তুলুন খাওয়ার সময়টা। জ্বালিয়ে নিতে পারেন মোমবাতি, টিভিতে দেখতে পারেন প্রিয় কোন অনুষ্ঠান যা আপনার রুচি বাড়িয়ে তুলবে। খাবার টেবিলে অস্বস্তিকর আলোচনা সর্বাবস্থায় পরিহার করুন।

৬. পরিবার বা বন্ধুদের সাথে খাওয়ার অভ্যাস করুন (Avoid eating alone)
একা খাওয়ার চেয়ে পরিবারের সবাই বা বন্ধুদের সাথে খাওয়া অনেক বেশি আকর্ষণীয়। খাওয়ার সময় তাদের সাথে গল্প করলে আপনার খাওয়ার মূহুর্ত হয়ে উঠবে আনন্দময়, ফলে খুব স্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে আপনার রুচিও।

৭. খাওয়ার সময় বড় প্লেট ব্যবহার করুন (Use large plates)
বড় প্লেটে স্বাভাবিক পরিমাণ খাবার খেলেও আপনার মনে হবে পরিমাণের চেয়ে কম খেয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই আরেকটু বেশি খাওয়ার ইচ্ছা জাগবে। ছোট প্লেটের তুলনায় বড় প্লেট বেশি খাবার খেতে মানুষকে উৎসাহিত করে। তাই যাদের খাবারে রুচি (appetite) কম, তারা বড় প্লেটে খাবার গ্রহণ করুন।

Loading...

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.