খুসখুসে শুষ্ক কাশি দূর করে ফেলুন সহজ ৫টি উপায়ে

শীত চলে গেছে কিন্তু রয়ে গেছে এর রেশ। এইসময় যে সকল রোগে কম-বেশি সকলেই ভুগে থাকেন, তা হল শুষ্ক কাশি। বিশেষ করে শীতের শেষ এবং বসন্তের শুরুর এই সময়টাতে অধিকাংশ মানুষই খুসখুসে কাশির যন্ত্রণায় ভোগেন। অফিস কিংবা ক্লাসে বা বাইরে কোন স্থানে খুক খুক করে কাশছেন, আর সবাই আপনার দিকে তাকাছে, ভাবুন তো কেমন বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে? বিভিন্ন কারণে হতে পারে এই শুষ্ক কাশি । আবহাওয়ার পরিবর্তন, অ্যালার্জি, ঠান্ডাজনিত ইনফেকশন, অ্যাজমা ইত্যাদি। বাজারের কাশির সিরাপ খেয়েও এই কাশি থেকে রক্ষা পাবেন না। ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই কষ্টকর কাশি থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে।শুষ্ক কাশি

খুসখুসে শুষ্ক কাশি দূর করে ফেলুন সহজ ৫টি উপায়ে

১। লবণ পানি

এক কাপ পানি এক চিমটি লবণ দিয়ে গরম করে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। লবণ গলা ভিতর থেকে তরল কফ, পদার্থ বের করে দিয়ে থাকে। Mayo clinic book এর মতে কুলকুচি গলার ভিতরের অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে দিয়ে থাকে। এটি আপনার শুষ্ক কাশি কমিয়ে দিয়ে কিছুটা আরাম দেবে।

পড়ুন  খুসখুসে বা শুকনো কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়

২। মধু

শুষ্ক কাশি প্রতিকারে মধু বেশ কার্যকর। এক টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু প্রতিদিন ১ থেকে ৩ বার গ্রহণ করুন। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক টেবিল চামচ মধু খেয়ে নিন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১ চা চামচ থেকে ১ টেবিল চামচ হতে পারে। মধুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান কাশি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

Loading...

৩। আদা চা

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ আদা চা খেয়ে নিতে পারেন। আদার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান গলার ভিতরে অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে থাকে। এক কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে জ্বাল দিন। এটি দিনে তিন থেকে চার বার পান করুন। দেখবেন শুষ্ক কাশি অনেক কমে গেছে। আদা চায়ের পরিবর্তে এটি পান করতে পারেন।

৪। হলুদ

এক চামচ মধুর সাথে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিন থেকে চারবার গ্রহন করুন। এক টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো চার কাপ পানিতে জ্বাল দিন। কয়েক মিনিট পর এতে লেবুর রস এবং মধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এটিঅ আপনার কাশি কমাতে সাহায্য করবে।

পড়ুন  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ১০টি মানদন্ড

৫। রসুন

পাঁচটি রসুনের কোয়া কুচি করে এক চা চামচ ঘিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। কুসুম গরম থাকা অবস্থায় এটি খেয়ে ফেলুন। রসুনের অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান কাশি উপশম করে থাকে। University of Maryland Medical Center cites এর মতে রসুন অব্যশই কাশি উপশম করে থাকে।

এছাড়া যষ্টি মধু, গোলমরিচ এবং মধুর মিশ্রণ শুষ্ক কাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। আপনি যদি অ্যালার্জি সমস্যা থেকে থাকে তবে এই সময় কিছুটা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

Loading...

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About পূর্ণিমা তরফদার

আমি পূর্ণিমা তরফদার আপনার ডক্টরের নতুন রাইটার। আশাকরি আপনার ডক্টরের নিয়ামিত পাঠকরা আমাকে সাদরে গ্রহণ করবেন ও আমার পোষ্টগুলো পড়বেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.