সকালে অতিরিক্ত ঘুম ভাব কাটানোর ৪টি সহজ উপায়!

অনেকেরই সকালে ঘুম থেকে ওঠতে খুব কষ্ট হয়। অনেক এলার্ম বাজার পর ঘুমটা একটু ভাঙ্গলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই আবারো ঘুমিয়ে পড়েন অনেকেই। ফলে ক্লাসে কিংবা অফিসে দেরী হয়ে যায়। আবার কারো কারো sleep থেকে উঠে ঘুম  ভাব ও আলসেমী দূর করতেই লেগে যায় অনেকটা সময়। ফলে সকালে উঠে সব কিছুই বিরক্তিকর লাগা শুরু করে। sleep থেকে ওঠার পরে এই বিরক্তিকর ঘুম  ভাব কাটানোর কিছু উপায় আছে। জেনে নিন ঘুম  ভাব কমানোর ৪টি উপায়।ঘুম

সকালে অতিরিক্ত ঘুম ভাব কাটানোর ৪টি সহজ উপায়!

কর্কশ শব্দের অ্যালার্ম ও পানির ছিটা

অ্যালার্মটা একটু কর্কশ শব্দেরই বেছে নিন, যদি সকালে ঘুম ভাঙা নিয়ে আলসেমী থাকে। কর্কশ শব্দ মস্তিষ্ককে জাগিয়ে তুলবে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথম যে কাজটি করবেন তা হলো মুখে পানির ছিটা দেয়া। sleep থেকে উঠেই বাথরুমে চলে যান। এরপর কল ছেড়ে মুখে ঠান্ডা পানির ছিটা দিন। মুখে পানির ছিটা দিলে সঙ্গে সঙ্গেই sleep চলে যায় এবং বেশ তরতাজা লাগে।

আলো

ঘুম থেকে উঠে রুমে আলো প্রবেশ করতে দিন। সবকটা জানালার পর্দা সরিয়ে দিন। সূর্যের আলো আমাদের মস্তিষ্ককে সকাল হওয়ার সংকেত দেয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই sleep ভাব কেটে মস্তিষ্ক সজীব হয়ে যায়। তাই সকালে রুমে প্রচুর আলো ঢুকতে দিলে ঘুম ও আলসেমি কেটে যায়।

পড়ুন  অতিরিক্ত ঘুম হতে পারে আপনার মৃত্যুর কারন ..!

ফেসবুকে বসুন

এক সময়ে মানুষজন সকালে ঘুম থেকে উঠে খবরের কাগজে চোখ বোলাতেন। আর এখন অধিকাংশ মানুষই সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ বুলায় ফেসবুকে। সকাল সকাল ফেসবুকে বসাকে অনেকে ভালো চোখে না দেখলেও sleep ভাঙানোর ক্ষেত্রে এর উপকারিতা আছে। সকাল বেলা ফেসবুকে লগ ইন করে বন্ধুদের মজার মজার স্ট্যাটাস ও কমেন্ট দেখতে দেখতে মস্তিষ্ক সচল হয়ে ওঠে এবং ঘুম কেটে যায় পুরোপুরি।

টিভি ছেড়ে দিন

সকালে sleep  ভাব কাটানোর অদ্ভুত এবং কার্যকরী একটি উপায় হলো বেশ জোড়ে শব্দ দিয়ে টিভি ছেড়ে দেয়া। বিরক্তিকর শব্দ কিংবা উচ্চ শব্দে sleep কেটে যায় সহজেই। তাই সকালে sleep থেকে উঠে আলসেমী না কাটলে মোটামুটি জোরে শব্দে টিভি ছেড়ে রাখুন। ঘুম পালিয়ে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই।

আরো কিছু টিপসঃ

প্রশান্তিময় সকাল পেতে অনুসরণ করুন ৫টি সহজ ধাপ……..

Loading...

প্রতিদিন সকালে উঠেই একটু প্রশান্তি পেতে কার না ইচ্ছে করে বলুন? সকালে sleep থেকে উঠতে এমনিতেই ভালো লাগে না। তার উপর মাথায় থাকে অনেক কাজের চাপ। তাই সকাল সকাল একটু প্রশান্তির ছোঁয়া পাওয়া গেলে মনটাই ভালো হয়ে ওঠে। সকালটাকে প্রশান্তিময় করে তোলার জন্য খুব বেশি কিছু করতে হয় না। বেশ সহজেই আপনি আপনার সকালটাকে করে তুলতে পারবেন প্রশান্তিময়। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রশান্তিময় সকাল পাওয়ার ৫টি উপায়।

পড়ুন  ঘুম আসার প্রাকৃতিক ১০ উপায়

ঘুম থেকে উঠে প্রকৃতি উপভোগ করুন

সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঠান্ডা বাতাস কিংবা সকালের রোদ উপভোগ করুন। বিছানা ছেড়ে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে পর্দা সরিয়ে দিন। মিষ্টি রোদে গাছ গাছালির উজ্জ্বল সবুজ রঙ উপভোগ করুন। অথবা কান পেতে পাখির কলকাকলি শুনুন। সুযোগ থাকলে সকাল বেলাই বের হয়ে ঘুরে আসুন বাইরে থেকে। সবুজ ঘাসের উপর খালি পায়ে হাঁটুন কিছুক্ষন। তাহলে বেশ প্রশান্তি অনুভূত হবে মনে, সেই সঙ্গে সারা দিনটাও ভালো যাবে।

মেডিটেশন করুন

সকাল বেলা ৫ থেকে ১০ মিনিটের মেডিটেশন মনকে প্রশান্তি দেয়। মেডিটেশন খুব কঠিন কিছু নয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে আসন করে বসুন। চোখ বন্ধ করে রাখুন। এরপর লম্বা শ্বাস নিন। মনে মনে ৫ গোনা পর্যন্ত শ্বাস ধরে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছেড়ে দিন। এভাবে বেশ কয়েকবার করলে শরীরে অধিক পরিমাণে অক্সিজেন প্রবেশ করবে, মস্তিষ্ক সচল হয়ে উঠবে,মনে প্রশান্তি অনুভূত হবে।

গোসল করুন

সকাল বেলা গোসল করলে বেশ প্রশান্তি পাওয়া যায় শরীর ও মনে। প্রতিদিন সকালে ব্যায়াম কিংবা মেডিটেশনের পর কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিন। সুযোগ হলে পানিতে সুগন্ধি হিসেবে গোলাপ জল কিংবা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রতিদিন গোসল করলে শরীর পরিচ্ছন থাকবে এবং মন প্রশান্ত থাকবে।

পড়ুন  ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাত্র ৭ টি কাজ চিরজীবন আপনাকে সকল রোগ বালাই থেকে দূরে রাখবে। জেনে নিন কাজ গুলো

নাস্তার আগে পানি খান

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে নাস্তা খাওয়ার আগে বড় এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করুন। প্রতিদিন এই পানীয় পান করলে বেশ সতেজ লাগবে এবং শরীরের সব বিষাক্ত উপাদানগুলো বের হয়ে শরীরে প্রশান্তি অনুভূত হবে। তবে এই পানীয় খাওয়ার পরে সকালের নাস্তা এড়িয়ে গেলে চলবে না। সাড়া রাত ঘুমানোর সময়টার দীর্ঘ খাওয়ার বিরতির পরে সকালের নাস্তা না খেলে শরীর দূর্বল হয়ে যায়।

সারাদিনের কাজ গুলো মনে মনে গুছিয়ে নিন

সকাল বেলা সবারই মূল চিন্তা থাকে যে সারাদিনের এতো কাজ কিভাবে সামাল দিবেন। আর এই চিন্তাতেই সকাল বেলাই মনটা অস্থির হয়ে যায়। প্রতিদিন সকালের এই অস্থিরতা দূর করে মনকে প্রশান্ত করার একটি উপায় হলো দিনের শুরুতেই মনে মনে কাজগুলো গুছিয়ে নেয়া। কোন কাজটি কখন করবেন এবং কিভাবে করবেন সেটা আগেই ঠিক করে ফেলুন। সময় অনুসারে কাজ গুলো ভাগ করে নিন। তাহলে কাজের অস্থিরতা দূর হয়ে মনে প্রশান্তি আসবে।

Loading...

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About পূর্ণিমা তরফদার

আমি পূর্ণিমা তরফদার আপনার ডক্টরের নতুন রাইটার। আশাকরি আপনার ডক্টরের নিয়ামিত পাঠকরা আমাকে সাদরে গ্রহণ করবেন ও আমার পোষ্টগুলো পড়বেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *