cool hit counter
Home / মাসিক / মাসিক চলাকালীন দাম্পত্য জীবন নিয়ে কিছু স্বাস্থ্য সচেতনতা

মাসিক চলাকালীন দাম্পত্য জীবন নিয়ে কিছু স্বাস্থ্য সচেতনতা

মাসিক চলাকালীন দাম্পত্য জীবন নিয়ে কিছু স্বাস্থ্য সচেতনতা
মাসিক চলাকালীন দাম্পত্য জীবন নিয়ে কিছু স্বাস্থ্য সচেতনতা

মাসিক প্রতিটি নারীর জীবনে স্বভাবিক ব্যাপার।পিরিয়ড বা মাসিকের সাথে সন্তান ধারণের বিষয়টি ওতপ্রোতোভাবে জড়িত।অার একথাও সত্য যে, মাসিক দাম্পত্য জীবনে ও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।প্রত্যেক নারী তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে অভিঞ্জ এবং সচেতন নন।এমন অনেক নারী আছে যারা পিরিয়ড ( periods ) বা মাসিক চলাকলীন সময়ে স্বষথ্য এবং দাম্পত্যে উভয় ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।মাসিক চলাকালীন  সময়ে নান প্রকারের কুসংস্কার,জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি,খিটখিটে মেজাজ ইত্যাদি বিষয়ে নানন রকম প্রশ্নের উত্তর দিতে আমাদ আজকের এই অর্টিকেল।

১। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় নারীদের জরায়ুতে প্রচুর পরিমাণে ব্যাথা হয়। পিরিয়ডের সময় অল্প ব্যথা হবেই, কিন্তু ব্যথা যদি বেশী হয় কিংবা অল্প ব্যথাতেই নারী যদি অস্বস্তি বোধ করেন, তাহলে যৌন মিলন বাদ দেয়াই উত্তম।যাতে করে স্বস্থ্য ভালো তাকবে এবং নানান রকম ঝুঁকির হাত থেকে রেহাই পাবেন।

২। পিরিয়ড চলাকালীণ সময় sex বা যৌন মিলন কার যাবে না এমন কোন বাধ্যবোধকতা নেই।যৌন মিলন স্বামী-স্ত্রীর ইচ্চা হলে করতে পারেন।

৩। পিরিয়ডের চলাকলীন সময়ে অকারণে বিষণ্ণতায় ভোগা ,ঘন ঘন মুড সুইং, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হতেই পারে। তাই স্বমীরা এই সময়ে একটু স্ত্রীদের প্রতি সদয় হোন,নিজেরা একটু সেক্রিফাইস করে চলুন।

৪। স্ত্রীর মুড সুইং-এর সাথে একটু সমঝোতা করুন।বিষণ্ণতা ও  খিটখিটে মেজাজ  দূর করতে স্ত্রীর সঙ্গ দিন, তাকে ভালবাসুন মন উজাড় করে, দুজনেে একটু ভালো সময় কাটাতে চেষ্টা করুন। মরে রাখবেন এগুলো আপনার স্ত্রীর জন্য অত্যন্ত জরুরী।

৫। কম বেশি সবাই একটি ভয়াবহ কুসংস্কারের সাথে পরিচিত।পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে স্ত্রীর সঙ্গে যৌন মিলন হলে লিঙ্গ ছোট হয়ে যায়। একথা সম্পূর্ণ ভুল।আদৌ পিরিয়ডের সাথে লিঙ্গ ছোট হবার কোন সম্পর্ক নেই।

৬। মাসিক চলাকালীন সময়ে নারীদের কোন প্রকার ভারী কাজ না করাই উত্তম।যদি কারো ব্যথা হয়, তবে তাঁদের জন্য তো বিষয়টি আরও বেশি জরুরী।

৭। হ্যাঁ, পিরিয়ডের সময়টা যৌন মিলনের ক্ষেত্রে মোটামুটি নিরাপদ, এই সময়ে জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলেও চলে। তবে এটি শুধু মাত্র তাঁদের ক্ষেত্রেই ভালোভাবে প্রযোজ্য, যাদের পিরিয়ড হয় নিয়মিত। নিয়মিত পিরিয়ড হলে এই দিনগুলোতে জন্ম নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা ছাড়াই মিলিত হতে পারেন। তবে অনিয়মিত পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সেই ঝুঁকি না নেয়াই ভালো। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি থেকেই যায়।

৮। গর্ভধারণের জন্য সেরা সময় হচ্ছে পিরিয়ডের ১০ দিন পর থেকে পরবর্তী ১০ দিন। অর্থাৎ আপনার ২৫ থেকে ৩০ দিনের মাসিক চক্রের মাঝের ১০ দিন গর্ভধারণের জন্য ভালো সময়। যারা সন্তান নেয়ার চেষ্টা করছেন, তাঁরা এই সময়টিকে বিশেষভাবে মাথায় রাখুন।

৯।  পিরিয়ড হতে ১০ দিন কিংবা এর বেশী দেরি হলে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। দাম্পত্য জীবনে এর অর্থ হচ্ছে স্ত্রী গর্ভধারণ করে থাকতে পারেন।

১০।  অধিকাংশ নারীরই পিরিয়ডের সময় অনেক বেশী রক্তপাত হয়। যাদের বেশি রক্তপাত হয় তাদের ক্ষেত্রে যৌন মিলনটিকে বাদ দেয়াই ভালো।

আপনার যৌন জীবনের যেকোন পিপিাসা মিটাতে সহায়তায় আপনার ডক্টর সর্বদা রয়েছে আপনার পাশে।তাই যেকোন প্রশ্ন ও তার সমাধান পেতে ভিজিট করুন আপনার ডক্টর সাইটটি। প্রয়োজনে অঅপনার ব্রাউজারে সেভ করে রাখুন সাইটটি।
সূত্র: প্রিয়.কম

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Check Also

পিরিয়ড

পিরিয়ড থেকে যে স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো বোঝা যায়

পিরিয়ড ( period ) প্রত্যেকটি মেয়ের জীবনেই খুব সহজ, কাঙ্ক্ষিত আর স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া, যার …