cool hit counter
Home / প্রশ্ন ও উত্তর / নিজের মামা দ্বারা ধর্ষিত আমি হই, মা গোপনে আমার গর্ভপাত করায়…

নিজের মামা দ্বারা ধর্ষিত আমি হই, মা গোপনে আমার গর্ভপাত করায়…

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে https://www.facebook.com/apoardoctor/আজকের প্রশ্নঃ আমি যখন অনেক ছোট তখন আমার বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। বাবাকে কখনো দেখেছি বলে মনে নাই। আমার বড় আরও দুই বোন আছে।ওদের বাবার প্রতি অনেক রাগ থাকায় ছোটবেলায় বাসায় বাবার কোন ছবি পর্যন্ত রাখে নাই, সব ছিঁড়ে কুটিকুটি করে ফেলে, তাই আমার বাবার ছবি পর্যন্ত দেখার সৌভাগ্য হয়নি। আমার মা জব করায় আমার বোনদের হোস্টেলে থেকে পড়াশুনা করাত।আমি ছোটবেলা থেকে মার কাছেই থাকি। আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি তখন আমি আমার নিজের মামা দ্বারা প্রথম ধর্ষিত হই। আমি ওই সময়ে ভয়ে কাউকে কিচ্ছু বলতে পারিনি। আর কাকেই বলব, আমার মা সারাদিন অনেক ব্যস্ত থাকত। সেই সকালে অফিস যেত আর রাতে আসতো। মা কে সারাদিন ভাল করে দেখতামই না । আর মা মামাকে অনেক ভালবাসত, নিজের কাছে রেখে পড়াশুনা করাত। তাই কাকে কার কথা বলব।

আমি

আমি মা কে তখন কিচ্ছু বলতে পারি নাই এরকম যেতে যেতে একটা সময় আমি প্রেগন্যান্ট হয়ে যাই এবং আমার মা তখন সব কিছু বুঝতে পারে আর আমার গর্ভপাত করায়। আমি তখন জানতে পারি আমার একটা ছেলে বাবু হয়। যাই হোক, মাও তখন চক্ষুলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারে নাই আর আমিও না। একদিকে বাবার আদর ভালবাসা না পাওয়ার কষ্ট আরেকদিকে মামার ধর্ষণের অসম্ভব মানসিক কষ্ট নিয়ে আমার দিন যেতে থাকে। আমি কখনও কাউকে কিচ্ছু বলতে পারতাম না, কারো সাথে বিশেষ করে বড় ছেলে দের সাথে আমার মিশতে কথা বলতে অনেক খারাপ লাগতো । এভাবে অনেক বছর পর আমার এক দূর সম্পর্ক কাজিনের সাথে ফেসবুকে খুব ভাল বন্ধতু হয়, একটা সময় আমি ওর প্রতি দুর্বল হয়ে যাই। ও অনেক দেখা করতে চাইলেও প্রথমে আমার ইচ্ছা করত না। তারপর অনেক জোরাজুরি করার পর আমি দেখা করি। তাঁকে ভাল তো আমার আগে থেকেই লাগতো, কিন্তু কখন কোন সম্পর্কে যাব ভাবি নাই। কারণ আমার মনে হত ওর পরিবার আমাকে পছন্দ করবে না আর রিলেটিভের মধ্যে আমাকে নিয়ে কোন প্রবলেম হোক আমি চাইতাম না।

যাইহোক আমাদের ফেসবুক কথা আর দেখা সাক্ষাৎ হওয়া দিন দিন বেড়ে গেল।আমার খুব ভাল লাগতো ওর সাথে সময় কাটাতে। একটা সময় সে আমাকে প্রপোজ করে বসে, আমিও না করি নাই। দিনগুলা ভালই যেতে থাকে, আমিও মনে হয় আস্তে আস্তে আমার অতীত ভুলে যাই। কিন্তু আমি ওকে আমার আগের কথা গুলা বলতে পারি নাই। সত্যি বলছি আমি অনেক বার বলতে চেয়েও বলতে পারিনি, কারন ওর সাথে কাটানো ৩-৪ ঘণ্টা আমার কাছে কয়েক মিনিটের মতো লাগতো।আমি পারি নাই ওই সময়টা নষ্ট করতে।

আমি রিলেশনটা নিয়ে অনেক হ্যাপি ছিলাম, আমার ভার্সিটির বন্ধু বান্ধব সবাই ওর কথা জানত শুধু ফ্যামিলি ছাড়া। কিন্তু সবসময় ওকে হারানোর একটা ভয় আমার মধ্যে কাজ করতো। ও আমার বাবার কথাটা জানত আর এটাও জানত আমি ওর প্রতি অনেক দুর্বল।ও যা বলত যেভাবে বলত আমি তাই করতাম কারণ ওর সব কিছুই আমার ভাল লাগতো এবং আমি ওকে খুব বিশ্বাস করতাম। ও আরেকটা কথা, ওর আগে একটা রিলেশন ছিল যা ও কখনই স্বীকার করে নাই, কিন্ত ওই মেয়েটা ওর ব্যাপারে আমাকে অনেক কথা বলে আমি বিশ্বাস করি নাই। আর মেয়েটা বিবাহিত ছিল তাই। আমি এও জানতাম ওর অনেক মেয়ের সাথে ফোনে ফেসবকু যোগাযোগ হয়, আমি তাতেও মাথা ঘামাই নাই। কারন ওতো আমাকে ভালবাসে, দিন শেষে ঠিকই আমার কাছেই আসবে।

এভাবে একদিন ওর সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায়। আমি তখনও ওকে কিছু বলি নাই কিন্তু ও বুঝতে পারে। এটা ঠিক আমিও ওর প্রথম ছিলাম । তখন ও আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি সব সত্যি বলে দেই কিন্তু ও কিচ্ছু বিশ্বাস করে না। উল্টা আমাকে অনেক গালাগালি করে। ও ভাবে আমি অনেক ছেলেদের সাথে মিশি এবং তাদের সাথে আমার সম্পর্ক আছে। আমি সব সহ্য করি কারণ ভুলটা তো আমারই ছিল। কিন্তু ও যখন রিলেশনটা রাখতে চায় না, তখন আমি ভেঙে পড়ি । অনেক কান্নাকাটি করতাম। মরার জন্য চেষ্টাও করি, ওকে দিন রাত কল করতাম, বড় বড় ম্যাসেজ দিতাম। কিন্তু তখনও কিছুতেই ফিরে আসে না।

এভাবে প্রায় ৪মাস পর ও নিজে থেকেই যোগাযোগ করে আর আমি ও কোনকিছু বলা ছাড়াই আবার মিশতে থাকি। এভাবে আবার আমাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। আবার খুব সামান্য কারণেই ও ঝগড়া করে যোগাযোগ বন্ধ করে দিত আর ও যখন থাকে না আমি পুরা পাগল হয়ে যাই। সারাদিন কান্নাকাটি করি, পড়াশুনায় মন দিতে পারি না। সবমিলিয়ে আমার কিছু ভাল লাগে না, আমার মন মেজাজ কেমন যেন খিটখিটে হয়ে যায়। আমি বাসার কাউকে কিছু বলতে পারি না, সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করি। আমার আচরণগত প্রবলেম হয় আমি বুঝি। কিন্ত ও যদি আমাকে ফেবু তে একটু হাই ও বলে, আমি খুশি হয়ে যাই। আমি সব ভুলে ওর কাছে ব্যাক করি কিন্তু একবার যদি আমাদের শারীরিক ব্যাপারটা হয় ও আবার চলে যায়। এভাবে করে আমাদের রিলেশন আজ প্রায় ৩ বছর।

এর মাঝে ওর আরেকটা মেয়ের সাথে রিলেশন হয়। সারদিন রাত ওই মেয়েটা আর ওর কথা হয় আবার মাঝে মাঝে আমার কাছেও ব্যাক করে। আমি সব জানতাম কিন্তু ওকে কখনও কিছু বলতে পারতাম না। ওর সামনে গেলে আমার কথা সব গুলিয়ে যেতে থাকে কিন্তু আমি নিজে নিজে অনেক বেশি কষ্ট পাই। ও আমাকে বিয়ে করবে না বলে দিয়েছে কারন ওর ফ্যামেলিতে আমার কথা বলতে পারবে না । কিন্তু ও আমাকে ভালবাসে এবং বাসবে।আমি এও বলছি তাহলে তোমার সাথে আমার শুধু বন্ধুত্বটা থাকুক তুমি প্লীজ অন্য কারো সাথে কথা বলোনা আমি তা সহ্য করতে পারিনা।আমার সামনে সব স্বীকার করলেও পরে ঠিকই ও মেয়েটার সাথে আবার কথা বলে। যখন ও আমার সামনে থাকে তখন মনে হয় আমার চেয়ে ভাল ও আর কাউকে বাসে না কিন্তু দূরে গেলেই সব অন্যরকম।ওর ইচ্ছা মতো আমার সাথে যোগাযোগ করতো কিন্তু আমার ইচ্ছা হলে আমি কখনই পাই নাই তারপরও ও যেভাবে থাকতে চাইত সেভাবেই শুধু আমার সাথে যোগাযোগটা থাকুক আমি তাতেই খুশি তাতেই ভাল থাকি। যখন ও সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় তখন আমি হাফ মৃত। আমি শুধু ঘুম ছাড়া সবসময় খালি ওর কথা ভাবি। ফেসবুক, ভাইবা্র, হোয়াটস আ্যাপে সারাদিন ওর লাস্ট সিন দেখি। ওর প্রোফাইল চেক করি আর এটাই যেন আমার একমাত্র প্রধান কাজ তখন । অনেক বন্ধুদের মাঝেও আমি শুধু ওর কথাই ভাবি আর যখন একা থাকি চিৎকার করে কাঁদি।

মাঝে মাঝে মনে হয় আমি ওর কোন ক্ষতি করি, ওর বাসায় সবাইকে বলে দেই বিয়ে করার জন্য চাপাচাপি করি। কিন্তু জোর করে তো আর কারো কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়া যায় না, আর এটাও ঠিক আমাদের সমাজে ছেলেদের কোন দোষ হয় না ।আপু জানি তখন সবাই আমাকেই খারাপ বলবে। কিন্তু আপু জানেন আমার নিজের এই শরীরটাকে অনেক বড় বোঝা মনে হয় আমার নিজের কাছে। অনেক বার মরতেও যাই কিন্তু ভয়ে মরতেও পারি না। এখন আমার কারো কাছে থেকে ভালবাসার কথা শুনলে বিরক্তি লাগে। আমার যেসব ফ্রেন্ডদের রিলেশন আছে আমি কেন জানি না এখন ওদেরও সহ্য করতে পারি না। আর আমার সব ফ্রেন্ডরা ওর কথা জানে আমার একটু মন খারাপ থাকলেই ওরা ওর কথা জিজ্ঞাস করে, ওকে নিয়ে মজা করে আমাকে খেপায়।আমার এসব ভাল লাগে না তাই ওদের সাথেও মিশি না। সারাদিন একা একা থাকি।কারো সাথে কথা বলতে আমার ভাল লাগে না। ওর কথা মনে করলেই খালি চোখ দিয়ে পানি পড়ে অনেকবার ভাবছি অন্য কারো সাথে রিলেসনে জড়াবো কিন্তু আমার দ্বারা সম্ভব না। আমার কথাগুলো আমি ওকে ছাড়া কাউকে শেয়ার করতে পারি না, এমনকি আমার মা বোন দের ও না। আমি ছোটবেলা থেকেই ওদের কারো সাথেই তেমন ফ্রি ছিলাম না তাই।ও আমাকে বলে অন্য কোথাও আমার বিয়ে হলে সব ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু আমার এখনও বড় দুই বোনের বিয়ে হয় নাই সেখানে আমার বিয়ের কোন কথাই আসে না তাছাড়া আমার গ্রাজুয়েশন ও এখন শেষ হয় নাই। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? আমি বুঝতে পারছি আমি একটা অসুস্থ মানসিকতায় আছি। আমি ওকে ভুলে আর আমার অতীত বর্তমান সব ভুলে যেতে চাই। স্বাভাবিক একটা জীবন চাই। একটা সময় আমার অনেক স্বপ্ন ছিল, নিজে অনেক বড় হব মাকে দেখব কিন্তু এখন আমি নিজের সাথেই হেরে বসে আছি। আমি কোনকিছুই ঠিকমত করতে পারিনা। আমি কী করবো?

 

আপু, খুব কষ্ট হলো তোমার চিঠি পড়ে। কিন্তু চিঠির মাঝে তুমি নিজের পরিস্থিতির যে এনালাইসিস লিখেছ, তাতে আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি যে তুমি খুব বুদ্ধিমতী একটি মেয়ে। তুমি নিজেই যে নিজের মানসিক সমস্যার ব্যাপারটি ধরতে পারছ, সেটাও খুব ভালো লক্ষণ।

তোমাকেও প্রথমেই যা করতে হবে, একজন খুব ভালো মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং তাঁকে নিজের সমস্ত ঘটনা খুলে বলে নিয়মিত কাউন্সিলিং করাতে হবে। যে কোন বড় হাসপাতালে গেলেই তুমি ডাক্তার পেয়ে যাবে। তবে সবচাইতে ভালো হয় একজন নারী চিকিৎসকের কাছে গেলেই। তোমার অতীতে যা ঘটে গিয়েছে এবং এখন যে তুমি উন্মাদের মত আচরণ করছো, সেটা ঠিক করতে অতি অবশ্যই ডাক্তারের সহায়তা লাগবেই লাগবে। বিষয়টি কোনভাবেই অবহেলা করবে না। অবশ্যই যাবে ডাক্তারের কাছে, কেমন? আর আমাকে অবশ্যই জানাবে ডাক্তার কী বললেন।

এখন আমি কিছু কথা বলি, দেখ মনে সান্ত্বনা পাও কিনা। যদিও জানি তুমি সবই বোঝ, তুমি বুদ্ধিমতী মেয়ে। ছোটবেলায় যা ঘটে গিয়েছে, সেটার জন্য তুমি দায়ী ছিলে না কোনভাবেই। আর কেউ না হোক, তোমার মা এই ঘটনার সাক্ষী। সেটার জন্য কোনভাবেই জীবন শেষ করে দেয়া যায় না। আর শোন, দুনিয়ায় সব পুরুষ মানুষের মন তোমার প্রেমিকের মত ছোট নয়। এই পৃথিবীতে অসংখ্য বড় মনের পুরুষ আছেন, যারা সব জেনে তোমার দিকে ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেবেন। সম্মানের সাথে তোমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেবেন, সবচাইতে বড় কথা ভালবাসবেন। তোমাকে কেবল সঠিক মানুষটির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যে ছেলেটি তোমাকে কেবল যৌনতার জন্য ব্যবহার করছে, তাঁর পেছনে কেন আবেগ নষ্ট করছ তুমি আপু?

হ্যাঁ, শুনতে খারাপ শোনালেও এটাই সত্যি। ছেলেটি ধরে নিয়েছে তোমাকে তো ইতিমধ্যেই মামা ব্যবহার করেছে, এখন যদি এস এসব করে তাহলে কিচ্ছু হবে না। ভালোবাসা টালবাসা সব মিথ্যা কথা। সে কেবল অন্য কোন মেয়েকে হাতের কাছে না পেলে তোমার কাছে আসে, চাহিদা মিটিয়ে চলে যায়। তোমার যতই খারাপ লাগুক না কেন শুনতে, এই ছেলেটির কাছে তুমি একেবারেই একটা পণ্য। আর কিছুই নও। সে তোমাকে ভালোবাসার কথা বলে ফাঁদে ফেলে রেখেছে।

আর শোন, তুমি ছেলেটার জন্য যা ফিল করো আপু, সেটাও ভালোবাসা নয়। সেটা একটা অবসেশন, যার পেছনে তোমার জীবনের একটা বড় ভূমিকা আছে। ছোটবেলা থেকেই পরিবারে ফাদার ফিগার মিসিং থাকা, ছোটবেলায় এমন অমানবিক ধর্ষণ ও গর্ভপাতের তিক্ত অভিজ্ঞতা, তোমার নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকার স্বভাব… সব মিলিয়ে যা হয়েছে, প্রথম যে ছেলেটি তোমার জীবনে এসেছে তাঁকেই তুমি সবকিছু দিয়ে আঁকড়ে ধরেছ। এটা তুমি বলে না, তোমার স্থানে যে কেউ হলে করতো। কিন্তু এখন সময়, এটা থেকে বের হয়ে আসার। খুব কষ্ট জানি, কিন্তু এটা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব।

তুমি তো তাঁকে ভালোবাসো, তাই না? নিজের ভালোবাসার পবিত্রতা রক্ষা করো, সেটাকে মনের মাঝেই রেখে দাও, শরীর পর্যন্ত পৌঁছাতে দেবে না। ছেলেটি যেন কোনভাবেই তোমাকে স্পর্শ করতে না পারে, কেবল এটুকুই খেয়াল রাখো। আর অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবে। অবশ্যই।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Check Also

আমার

আমার শিক্ষিকাকে আমার খুব ভালো লাগত, তাই আমি উনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিই….

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর …