cool hit counter
Home / লাইফস্টাইল / নারীরা এখন যে কারণে হিজাব পরেন!

নারীরা এখন যে কারণে হিজাব পরেন!

“হিজাব” “ḥijāb” (/hɪˈdʒɑːb/, /hɪˈdʒæb/, /ˈhɪ.dʒæb/ or /hɛˈdʒɑːb/; আরবি: حجاب‎, টেমপ্লেট:IPA-ar or টেমপ্লেট:IPA-ar) একটি নেকাব যা মাথা এবং বুক আবৃত করে থাকে, এবং যা নির্দিষ্টভাবে বয়ঃসন্ধি বয়স থেকে মুসলিম নারীদের কর্তৃক পরিহিত হয় তাদের পরিবারের বাহিরের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের প্রত্যক্ষতা এড়াতে এবং কিছু ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক অ-মুসলিম মহিলারাও এটি পরিধান করে থাকে। এছাড়াও যে কোন মুসলিম নারী কর্তৃক এটি পরিহিত হয় তাদের মাথা, মুখ বা শরীর আবৃত করতে যা শালীনতাবোধের নিশ্চিত মানদণ্ড মেনে চলে। হিজাব এছাড়াও সার্বজনীনন স্থানে পুরুষদের থেকে নারীদের অসম্পৃক্ত কারার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে, বা এটি সম্ভবত অধিবিদ্যামূলক ব্যাপ্তি অন্তর্ভুক্ত করে — আল-হিজাব নির্দেশ করে “একটি নেকাব যা ঈশ্বরের কাছ থেকে পুরুষ বা বিশ্বকে পৃথক করে থাকে।

হিজাব

স্বাভাবিকভাবে, শালীনতাবোধ, গোপনতা এবং নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে মুসলিম নারীদের কর্তৃক হিজাব পরিহিত হয়ে থাকে। ইসলাম এবং মুসলিম বিশ্বের বিশ্বকোষ অনুযায়ী, কোরআনে পুরুষ এবং নারী উভয়ের “চোখে পড়া, চালচলন, পোশাক এবং যৌনাঙ্গের” শালীনতাবোধে গুরত্ব দেয়। কোরআন মুসলিম নারীদের শালীনতাবোধের সাথে পোশাক পরিধান করতে এবং তাদের স্তনযুগল ও যৌনাঙ্গ আবৃত রাখতে নির্দেশনা দেয়। অধিকাংশ ইসলামি বৈধ পদ্ধতিসমূহ এই শালীনতার ধরন সঙ্গায়িত করতে গিয়ে জনসম্মুক্ষে মুখমণ্ডল এবং হাত বহির্ভূত বাকিসব অবৃত করে পোশাক পরিধান কারার নির্দেশ উল্লেখ রয়েছে। এই নির্দেশিকা (হাত, পা এবং মুখ ব্যতীত সমস্ত শরীর আবৃত রাখার জন্য), কোরআন প্রকাশের পর ফিকাহ এবং হাদিসের লেখায় পাওয়া যায় কিন্তু হিজাব এসেছ কোরানের আয়া থেকে।

 

আরবিতে হিজাব পদের সাহিত্যিক অর্থ “একটি অন্তঃপট বা পর্দা” এবং কোরআনে বিভাজন নির্দেশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। কোরআন বলে পুরুষ বিশ্বাসীরা (মুসলিম) মুহাম্মদের স্ত্রীদের সাথে কথা বলত একটি পর্দার আড়াল থেকে। এই পর্দা পুরুষদের দ্বায়িত্বের অংশ ছিল মুহম্মদের স্ত্রীদের নয়। এই থেকে অনেকে দাবী করে কোরানের মুহম্মদের স্ত্রীদের হিজাব প্রয়োগের নির্দেশ থাকলেও, সাধারণ নারীদের নেই। যদিও হিজাব প্রায়শই পুরুষ কর্তৃক নারীদের নিয়ন্ত্রণ এবং শব্দহীন করতে হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগাতে পশ্চিমাদের কর্তৃক ব্যবহৃত হতে দেখা যায়, এই চর্চা ভিন্নভাবে ভিন্ন প্রসঙ্গে উপলব্ধ হয়।[৯]

 

‘অনেক নারীই ফ্যাশনের অঙ্গ হিসাবে হিজাব ব্যবহার করেন’ – বাংলাদেশে হিজাব পরার প্রবণতা বাড়ার কারণ সম্পর্কে ফেসবুক ব্যাবহার কারীদের কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হলো, তবে এগুলোর ভিন্নমতও রয়েছে৷
নারীদের হিজাব পরা সম্পর্কে ফরিদ উদ্দীন মাসুদ লিখেছেন, ‘‘সারাজীবন আমার দাদি, নানি, মা কাপড় পরেই আবরু রক্ষা করেছেন, মাথা থেকে তাঁদের কাপড় পরে যেতে দেখি নাই৷” তাঁর প্রশ্ন, তাহলে কেন হিজাব লাগবে? এটা বর্তমানে একটি ফ্যাশন হয়ে গেছে বলে?”
বন্ধু ক্রান্তি মৃধার মন্তব্য, ‘‘কথাটা সত্য৷ আমি সারা শরীর টাইট হিজাব দিয়ে ঢাকলাম আর ভেতরে ভেতরে আকামের বন্যা বহিয়ে দিলাম৷ এর থেকে না পরাই ভালো৷ যে নারী ভালো, তাঁর কিন্তু হিজাব লাগে না৷”
খোরশেদ আলম হিজাব পরা নিয়ে লিখেছেন, ‘‘বর্তমানে নারী তথা মেয়েরা যে হিজাব পরে, তা ধর্মীয় অনুভূতি থেকে নয় বরং এটা এক ধরনের ফ্যাশন৷ হিজাব পরিধান করলে মেয়েদের আরো আকর্ষণীয় লাগে৷ অথচ ইসলামি শরিয়তে যে হিজাবের কথা বলা হয়েছে, তা হলো কালো রঙের এক ধরনের ঢিলেঢালা পোশাক, যা পরিধান করলে শরীরের কোনো অংশ প্রকাশ পাবে না৷”
পাঠক শান্তা খোরশেদ আলমের এই মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন৷ তবে সৈয়দ ফুয়াদ করিম ফাতমি পাঠক খোরশেদ আলমের বক্তব্যের বিরোধীতা করে লিখেছেন, ‘‘হিজাবে ‘মেয়েদের আরো আকর্ষণীয় লাগে’ – এ কথা সত্য হলে বলিউড, হলিউডের নায়িকারা সব বাদ দিয়ে হিজাবি হয়ে উঠত৷ কিন্তু তা তো দেখা যাচ্ছে না৷ অর্থাৎ, আপনার বক্তব্য (ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ বিবেচনায় নিলে) সম্পূর্ণ অযোক্তিক এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে হিজাব পরা মহিলাদের প্রতি অসম্মানজনক৷”
অন্যদিকে আশরাফুল হাসান লিখছেন, ‘‘নিজেকে আচ্ছাদিত করে রাখাই তো পর্দা৷ যদি কোনো নারী ১২ হাত শাড়িতে নিজেকে আচ্ছাদিত করে রাখতে পারেন, তবে তাঁর আলাদা করে বোরকা বা হিজাবের কোনো প্রয়োজন নেই৷”
নাজিয়া জাহান তৃশা তাঁর অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন এভাবে: ‘‘আমার মা, খালা, ফুপু সবাই গ্রামে বড় হয়েছেন৷ তাঁদের কখনো হিজাব পরতে দেখিনি৷ সারাজীবন তাঁরা শাড়ি দিয়ে ঘোমটা দিয়েছেন৷”
সাখাওয়াত হোসেন অবশ্য সকলকে ইসলামের বিরুদ্ধে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন৷ তাঁর মতে, ‘‘মাথা ঢাকাই হলো ইসলাম ধর্মের লক্ষ্য৷ তা আপনি যেভাবেই ঢাকুন না কেন৷”
আবার রুহুল আমিনের ধরণা, ‘‘কিছু কিছু নারীর হিজাব পরার ক্ষেত্রে পারিবারিক বাধ্যবাধকতাই দায়ী৷ কিন্তু বর্তমানে হিজাব যাকে বলা হচ্ছে, সেটা তো হিজাব না৷ বরং কিছু ক্ষেত্র বাদে হিজাব এক ধরনের ফ্যাশন!”
অ্যামেরিকা থেকে সাঈদ আলমের মন্তব্য, ‘‘আমি নিজেও দেখেছি হিজাবের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷….অনেকেই হিজাবকে ফ্যাশন হিসাবে ব্যবহার করেন, কারণ তারা নামাজই পরেন না৷”
আলী আকবর বলছেন, ‘‘হিজাব পরা ভালো, কিন্তু বোরকা যদি শরীরের ভাঁজের ভিতর ডুকে পড়ে আর সাথে হিজাবও পরা থাকে, তাহলে এই হিজাবের মানে কী? হিজাব কেউ পরে পর্দা করার জন্য আর কেউ নিজের পরিচয় গোপন করার জন্য৷ আর বোরকার ডিজাইন? ….কিছু ডিজাইন দেখলে বিব্রত হতে হয়৷”
‘‘পর্দা হলো, কোনো নারী যাতে পরপুরুষের ছায়াও মাড়াতে না পারেন৷ ….আসলে পর্দা ও হিজাব দু’টো আলাদা জিনিস৷ পর্দা হলো জীবনব্যাপী সাধনা৷ যারা হিজাব মাথায় দেয়, তারা সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে হিজাব খুলে পার্লার থেকে খোঁপা করে আসে৷ কিন্তু যারা পর্দা করে, তারা কখনোই এমনটা করে না৷” বাংলাদেশে নারীদের হিজাব পরা নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন জিশান শাহরিয়ার৷
শরীফুল ইসলামের মতে, ‘‘হিজাব নাকি বেশিরভাগই ক্ষেত্রেই স্টাইল৷ তবে তারপরও তো শালীনতা বজায় রেখে চলছেন নারীরা৷”
সালমা শান্তার ভাষায়, ‘‘কী আর বলবো, হিজাব তো হলো এখনকার ফ্যাশন৷ ওরা মাথাটাকে এমনভাবে বাঁধে – মনে হয় তিনটা মাথা৷ সেখানে ধর্মীয় কোনো প্রবণতা নাই, সবই পাগলামি৷” ডয়চে ভেলে

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Check Also

মেয়েরা

যেসব ছেলেদের সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে মেয়েরা

রসিক পুরুষরা মেয়েদের মন জয় করতে বেশ পটু হয়ে থাকেন। যেসব ছেলেদের ‘সেন্স অফ হিউমার’ …