cool hit counter

ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসা বাড়িতে বসেই

ধ্বজভঙ্গ পুরুষের জন্য একটি মারাত্মক, কঠিন ও জটিল রোগ। ধ্বজভঙ্গের লক্ষনে যা যা পাওয়া যায় তা হলো :- ইন্দ্রিয় শৈথিল্য, পুরুষত্বহীন, স্ত্রী গমনে অক্ষমতা, শরীরের দুর্বলতা হয়। দুই মাসেরও অধিক সময় যাবৎ যৌন ক্রিয়ার প্রতি কোন আগ্রহ অনুভব না করা। যৌন মিলন এড়িয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন মিলনের বাসনা অত্যন্ত কম অনুভব করা, কিংবা যৌন মিলনের প্রতি দুঃশ্চিন্তা বা উদ্বেগ থাকা। কখনও কখনও আগেই বীর্যপাত ঘটা (স্বামীর আগে স্ত্রীর বীর্যপাত ঘটানোর উপায় জেনে নিন), যৌন মিলনের সময় ব্যথা হওয়া, অক্ষমতা কিংবা তীব্র যৌন সুখ পেতে অক্ষমতা ইত্যাদি। ধ্বজভঙ্গ রোগ কি  বিস্তারিত আরো জানতে লিংকটা চেক করুন। অন্যদিকে মহিলাদেরও যৌন দুরবলতা, যৌনকর্মে ‍অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে।

ধ্বজভঙ্গ

ধ্বজভঙ্গ রোগের ঔষধ আপনি আপনার বাড়িতে বসেই নিজের হাতে বানাতে পারেন। জেনে নিন কি কি উপকরণ লাগবে এবং কিভাবে এটি তৈরি করবেন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

 

শতমূলী দুই তোলা, দুধ ষোল তোলা ও পানি চোষট্টি তোলা একত্রে আগুনে জাল দিয়ে ষোল তোলা থাকতেই নামাবে। এক তলা ওষুধ দুই থেকে তিন চামচ চিনি সেবন করবে। এ ওষুধ বছরে একবার ব্যবহার করবে। এটা সেবনে কোনো ইন্দ্রিয় শক্তি দুর্বল হতে পারে।
জিরাকেরমানী, সোওয়াবাকেলা, চিনি পিষে জৈতুন তৈল আর বাবুনার তেলে মিশ্রিত করে মলম তৈরি করবে। এরপর ঐ মলম অল্প আগুনে গরম করে প্রলেপ দিয়ে পট্টি বেঁধে রাখবে।
আনারের পাতা এক তোলা, মেহদির পাতা এক তোলা , নিম পাতা এক তোলা, সোডা এক তোলা, এক সঙ্গে মিশ্রিত করে ফাকি করে খাবে।
মাকাল ফলের শাস সাতবার পানিতে ধৌত করে আধা পোয়া আটার সাথে দুই ছটাক চিনি দিয়ে হালুয়া প্রস্তুত করে দৈনিক সকালে এক তোলা পরিমাণ সেবন করবে।
প্রথমে পরিমাণ মত একটা পান নিবে। উক্ত পানে খাঁটি ঘি মাখিয়ে আগুনে গরম দিবে। পান গরম অবস্থায় লিঙ্গে পেচিয়ে বেঁধে রাখবে এবং সকালে খুলে ফেলবে। কমপক্ষে এভাবে ২১ দিন বেঁধে এবং সকালে খুলে ফেলবে। এতে অবশ্যই লিঙ্গের উত্তেজনা ফিরে আসবে। এ সময় সকালের ভিজানো ছোলাবুট, মাখন এবং পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাবে।

স্বামী ধ্বজভঙ্গ হলে ঐ দম্পতি অন্যের ঔরসে সন্তান নিলে পরবর্তীতে সংসার জীবনে সমস্যা হবে কি না? পড়ুন এখানে

যে সব আমে বীজ হয় না বা আটি হয় নি, এরকম আম ছোট ছোট করে কেটে রোদে শুকিয়ে গুড়ো করে ভালোভাবে ছাকবে। উক্ত গুড়ো এক তোলা পরিমাণ সমপরিমাণ আখের গুড়ের সাথে মিশিয়ে এক সপ্তাহ সকালে খালি পেটে সেবন করলে যাবতীয় ইন্দ্রীয় দোষ ভালো হয়ে যাবে।
দৈনিক একটি করে কবুতরের বাচ্ছা, লঙ্কা ছাড়া সামান্য গরম মসল্লা ও লবন মেখে ঘি-এ ভেজে রাতে শয়নকালে ভক্ষণ করবে। ২ থেকে ৩ সপ্তাহ নিয়মিত তা ভক্ষণ করলে ধ্বজভঙ্গ রোগ নিশ্চয় আরোগ্য হবে।
চল্লিশটি খোরমা ফল দানা ফেলে আধা সের পরিমাণ ঘি-এ ভেজে আধা সের মধুতে খেলে ধবংভঙ্গ রোগ আরোগ্য হবে।
আফুলা শিমুল গাছের মূলের ছাল বাতাসে শুকিয়ে চূর্ণ করে ১ ছটাক চূর্ণ করে ১ ছটাক পরিমাণ মধুর সাথে মেখে সমপরিমাণ ১৭টি বটিকা বানাবে। দৈনিক সকালে ১টি করে বটিকা ঠাণ্ডা পানির সাথে সেবন করলে ধবংজঙ্গ রোগ আরোগ্য হবে।
যারা যৌন ক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে এলেছেন, পুরুষাঙ্গ দুর্বল বা নিস্তেজ হয়ে গেছে (পেনিস সহজে বড়, মজবুত ও মোটা করার উপায় কি?)। তাদের জন্য একটি চমকপ্রদ ওষুধ হল, একটি পাকা বেল ভাঙ্গার পর ভিতরে কতগুলো লম্বা লম্বা আঠাল কোষ পাওয়া যাবে। আমরা তাকে বিচি বলে জানি। উক্ত বিচি মূল আঠার সাথে সমপরিমাণ পাকা সবরি কলা নিয়ে ভালোভাবে চটকায়ে পুরুষাঙ্গে প্রলেপ দিয়ে একটি পান দিয়ে লিঙ্গ পেচিএ দৈনিক দুই ঘণ্টা বেঁধে রাখবে। এভাবে তিন থেকে চার সপ্তাহ ব্যবহার করলে দুর্বল পুরুষাঙ্গ অতি তাড়াতাড়ি সতেজ ও সবল হয়ে উঠবে।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।