cool hit counter
Home / ব্রণ / ঈদের আগে ব্রণ দুর হবে যেভাবে

ঈদের আগে ব্রণ দুর হবে যেভাবে

ব্রণ হওয়ার কিছু কারন আছে। যেমন ভাজাপোড়া খেলে ব্রণ ত্বকের ওপর উঁকিঝুঁকি দিতে চাইবে—এ ধারণাটা ঠিক নয়। নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিলে ব্রণ কে বিদায় জানাতে পারবেন। আর তা ঈদের আগেই।
রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক আফজালুল করিম জানালেন, শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ব্রণ এর জন্য দায়ী। ভাজাপোড়া খাওয়া থেকে পেটে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু এ জন্য আসলে ব্রণ হয় না। ব্যাকটেরিয়া থেকেই ব্রণ এর জন্ম। তাই ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেন তিনি। আরও বলেন, প্রচণ্ড গরমে রাস্তায় বের না হওয়াই ভালো। কারণ, রোজার সময় দিনের বেলা এমনিতেই পানি পান করা হয় না। তার ওপর বাইরের তাপ শরীরকে আরও বেশি পানিশূন্য করে দেয়। ফলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ‘ইফতারে প্রচুর পরিমাণে ফল ও রাতে টাটকা শাকসবজি খেতে হবে। পানিও পান করতে হবে একটু পরপর’—বললেন তিনি।

ব্রণ

ব্রণ ঠেকাতে খাদ্যাভ্যাসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এরপর বাহ্যিক রূপচর্চা। আয়ুর্বেদ রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট গ্লাস পানি পান করা উচিত। ইফতারে প্রথমেই এক গ্লাস শরবত পান করবেন। একটি বোতলে পানি ভরে সেটা সঙ্গেই রাখুন। যতক্ষণ জেগে থাকবেন, একটু একটু করে পানি খান। ইফতারে ভরপেট না খাওয়ার পরামর্শ দিলেন রাহিমা সুলতানা। পেটে কিছু জায়গা রেখে দিতে হবে পানীয়ের জন্য। পানি খেতে ভালো না লাগলে শরবত বা ডাবের পানি খেতে পারেন। এতে শুধু আপনার ত্বকই ভালো থাকবে না, শরীরের পানিশূন্যতা পূরণ হবে, কর্মশক্তিও পাবেন।
এবার আসা যাক রূপচর্চায়। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, ব্রণের সমস্যা তাঁদের সবচেয়ে বেশি। ঈদের আগে তাঁদের ত্বকের বাড়তি পরিচর্যা নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ১০ দিন পরপর অ্যান্টি অ্যাকনি ফেসিয়াল করাতে পারলে ভালো। যে ব্যাকটেরিয়া ব্রণের জন্ম দেয় তার বৃদ্ধি রোধ করতে ফেসিয়ালের সঙ্গে ‘ওজন’ যোগ করে নিলে ভালো। ‘ওজন’ ফেসিয়াল স্টিমিং মেশিনের একটি ফাংশন। রূপচর্চা কেন্দ্রে এই সুবিধা পেয়ে থাকবেন।
এ ছাড়া ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। রোজার দিনে অনেকে বাইরে থেকে এসে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। মুখ না ধুয়েই শুয়ে পড়া যাবে না। ফেসওয়াশ দিয়ে খুব ভালোভাবে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। শসার রস এ ক্ষেত্রে খুব ভালো ফল দেয়। লাল আটা অল্প পানিতে গুলিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। ব্রণের জায়গায় লবঙ্গ ও মেথি গুঁড়ার পেস্ট লাগিয়ে রাখলে তা খুব দ্রুত সেরে যায়। মুখে ব্রণ থাকলে একেবারেই স্ক্রাব ব্যবহার করা যাবে না। চালের গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য দুধ ও মধু মিশিয়ে ঘরোয়া স্ক্রাব তৈরি করে নেওয়া যায়। সাধারণ সময় এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলেই ভালো, এর বেশি দরকার নেই।

ব্রণ দুর করার কিছু পরামর্শ

 ইফতারের পর রাতে দুধ, রুটি এ ধরনের হালকা কিছু খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সাহরিতে ভারী খাবার খান। কারণ, দুই বেলা ভরপেট খেলে পানি পান করতে পারবেন না।
 ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলেও ব্রণ হয়। অনেকে সারা রাত জেগে থেকে একবারে সাহরির পর ঘুমান। এটি করা উচিত নয়। রোজ আট ঘণ্টা ঘুমানো দরকার।
 বরফের ট্রেতে শসার রস বরফ কুচির মতো জমিয়ে রাখতে পারেন। বাইরে থেকে এসে মুখ পরিষ্কার করার পর শসার কিউব মুখে ঘষে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About ফারজানা হোসেন

Check Also

ব্রণ

মাথার তালুর ব্রণ দূর করার উপায়

মাথার তালুর ব্রণ দূর করার উপায় মুখের ব্রণের মত মাথার তালুতেও ব্রণ হতে পারে। তরুণ …

One comment