cool hit counter
Home / অজানা তথ্য / এবার ধর্ষণরোধক কনডম! (ভিডিওসহ)

এবার ধর্ষণরোধক কনডম! (ভিডিওসহ)

ইচছা করলেই এখন আর কোন নারীকে নিয়ে সামাজিক ব্যাধি ধর্ষণের লালসা মেটাতে পারবেন না নরপশু প্রকৃতির পুরুষরা। কারণ এরই মধ্যে আবিষ্কার হয়েছে ধর্ষণবিরোধী কনডম যার নাম দেওয়া হয়েছে র‌্যাপেক্স।আর এর মাধ্যমে নারীরা তাদের কুমারীত্ব রক্ষা করতে পারবেন। ২০০০ সালে এই ধরনের ধর্ষবিরোধী কনডম আবিষ্কার করেন জ্যাপ হাইমাম নামে দক্ষিণ আফ্রিকার এক ব্যক্তি। এই কনডমসিলিন্ডার আকৃতির। এটা একটা শোষক পদার্থ হিসেবে কাজ করে।

 

কনডম

ধর্ষণ রোধক কনডম

কোন পুরুষ যদি নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌনসঙ্গমে মিলিত হওয়ার চেষ্টা কওে তাহলে এই কনডম প্রতিরোধ করবে এবং পুংলিঙ্গের ক্ষমতা হ্রাস করবে।…..
র‌্যাপেক্স নামের এই কনডমটির মূল আবিষ্কারক সোনেট এহলারস। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার নারী। তিনি দেশটির একটি রক্তদান কেন্দ্রে কাজ করতে গিয়ে এটি আবিষ্কারের চিন্তা করেন। ওই সময় তিনি অনেক ধর্ষিতা নারীর সাক্ষাৎ পেয়েছেন। তিনি বলেন, প্রথমে এর নাম র‌্যাপেক্স (RAPEX) থাকলেও ২০০৬ সালে পরিবর্তন করে (Rape-aXe ) রাখা হয় । ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই কনডমকে বিপজ্জনক বলেও সতর্ক করেছিল।

দেখুন ধর্ষণ প্রতিরোধক কনডমের ভিডিও

সোনেট এহলারসের এই কনডম নারীরা পরে থাকে। এটি একটি প্লাস্টিকের খাপের মতো। এর ভেতরে তরল নির্যাস থাকবে। এছাড়া ভেতরে তীর বা বল্লমের মতো বাকানো একটা পদার্থ থাকবে। কোন পুরুষ যদি নারীকে ধর্ষণ করতে উদ্যত হন তাহলে এর ভেতরে পুংলিঙ্গ প্রবেশ করলেই বিপদের সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে ওই পুরুষ যন্ত্রণা অনুভব করবেন।

বাধ্য হয়ে ধর্ষণকাণ্ড থেকে সরে আসবেন। এই কনডম নারীকে গর্ভবতী হওয়া থেকেও বিরত রাখবে। এইচআইভি ভাইরাসের মতো জীবাণু ছড়ানোরও কোন আশঙ্কা নেই। ২০০৫ সালে এই কনডমের খবরটি জানা গেলেও ২০০৭ সালে বেশি করে উৎপাদন করা হয়। তবে এখনো এটি প্রকাশ্যে বাজারে বিক্রি হচ্ছে না। কবে হবে তাও জানা যায়নি। কারণ বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের পদার্থকে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করেছেন।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

About ফারজানা হোসেন

Check Also

কুকুরের কামড়ে

কুকুরের কামড়ে পেটে কী আসলেই বাচ্চা হয়?

কুকুর নামটি শুনলেই আমাদের অনেকের মনে একটি বিশেষ ভীতি কাজ করে। ভীতির অন্যতম কারণ হচ্ছে …