cool hit counter

আমি বুঝতে পারছি না, আংকেল সুযোগ পেলেই আমার সাথে….

আমরা সব সময় বলে থাকি যে, জীবন থাকলে সমস্যা থাকবে,আর সমস্যা থাকলে উত্তরনের উপায় ও থাকবে,কিছু কিছু সমস্যা প্রকট অবার কিছু সমস্যা সামান্য। তবে সব সমস্যাই সমস্যা, আর এই সব সমস্যা মোকাবেলা করে জীবন কে এগিয়ে নিতে হবে আমি সোমা কামাল সবাইকে এটাই বলে থাকি সব প্রশ্নের উত্তরে। প্রতিদিন আমরা অগণিত মেইল ও মেসেজ পেয়ে থাকি পাঠকের নির্বাচিত কিছু প্রশ্নের উত্তর আমরা দেবার চেষ্টা করি।
ঠিক তেমনি আজকেও আমাদের একজন অসহায় বোনের চিঠি ছোট করে প্রকাশ করে সেটার উত্তর দিচ্ছি..…
দীর্ঘ সময় থেকে আপনাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে আমরা পরামর্শ দেবার চেস্টা করছি, আশা করছি এই ধারা অব্যাহত থাকবে, আপনিও চাইলে আপনার যেকোন সমস্যার কথা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে জানাতে পারেন, আমাদেরকে লেখার ঠিকানা:
অথবা www.facebook.com/apoardoctor

আমার

আংকেল সুযোগ পেলেই আমার সাথে

আপু, আমার একটা আংকেল আছে। মূলত উনি আমার মামির বড় ভাই। উনার সঙ্গে আমার একবারই দেখা হয়। আমার একটি সমস্যার কথা তাকে বলা হয়। আমিও তাঁকে অনেক সম্মান করি। কিছুদিন আগে আমার বাবার কাছে থেকে তিনি আমার ফোন নাম্বার নেন। মূলত আমার সমস্যা নিয়ে বাবাই ঊনার সাথে কথা বলেন। তো হঠাৎ উনি আমাকে ফোন দিলেন কথা বললেন।

 
ঐদিন উনি আমার সমস্যা গুলো নিয়েই আলোচনা করলেন। তারপর দুইদিন পর ফোন দিলেন। ঐদিন প্রায় ১ঘন্টা কথা বলেন। তাঁর জীবনের কথাগুলো বললেন। আমি আগেই মামির কাছে তাঁর জীবনের অনেক কথা শুনেছি। তাঁর বিয়ের পর বিয়েটা টেকেনি। তো কীভাবে কী হয়েছে তাই বললেন। রাতে আবার কল করলেন। তখনও ঐসব নিয়েই কথা বললেন। আর আমাকে বললেন আমার সাথে সব বলে নাকি উনি নিজেকে হালকা মনে করেন।আমাকে বলেন আমি নাকি তার খুব কাছের একজন। আমাকে যথেষ্ট ভালবাসেন, স্নেহ করেন। আর আমাকে বললেন আমি কি সবসময় তার পাশে থাকবো? তার প্রয়োজনে তাকে আশ্রয় দেব? আমি বললাম, জি থাকবো। কারণ তিনি আমার সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন। আর তার সময় থাকাটা আমারও উচিত। আর আমি উনাকে নিজের মামার মতোই ভাবি।

স্যারের রুমে ঢুকতেই স্যার আমাকে পড়ুন বিস্তারিত

তারপর উনি প্রায় প্রতিদিনই দিনে ৩/ ৪বার কল দেন। আমার ফোনে কথা বলতে বেশি ভালো লাগেনা। তবুও তিনি বড় বলে কথা বলি। মূলত উনি বলেন আমি শুনি। এক দিন উনি বললেন আমার চিন্তার কারণ নেই। উনি নাকি আমার দায়িত্ব নিবেন। এর আগেও এমন কিছু কথা বলেছেন কিন্তু আমি কিছু মনে করিনি। কিন্তু এক সময় মনে হল যে এতবার কেন ফোন দেয়। আমার প্রতি তার এত আগ্রহ কেন? একদিন আমি উনার কল রিসিভ করিনি। পরের দিন কথা বললাম। আমাকে বললেন আমি কেন কথা বলিনি। উনার কাছে নাকি একদিন হাজার দিন মনে হয়েছে। আমি ঐদিন কারণ বলে মাফ চাইলাম। তখন আমার কেমন অদ্ভুত মনে হল। কিন্তু নিজেদের মধ্যে, তাই কিছু বলার সাহস পেলামনা।

 

হঠাৎ কোনো এক কথায় উনি বললেন উনি নাকি বিয়ে করবেননা। আমি বললাম কেন? সবার জীবনে সমস্যা থাকেই। তাই বলে থেমে থাকবেন কেন? উনি বললেন, আমি যদি থাকি তার কাউকে লাগবেনা। আমার বললাম আমি আর সে তো এক না। তখন বললেন, তিনি আমাকে পারমানেন্টলি নিয়ে যাবেন। আমি তখন ফোন কেটে বন্ধ করে রাখলাম। তারপর মনে হল, আমি যা ভাবছি আসলেই তাই। আম্মুকে সব বললাম। আম্মু বলল তাঁরও তাই মনে হচ্ছে। আমরা ভাবলাম যে মামাকে সব খুলে বলি। কিন্তু বললে মামা তুফান তুলবে। তাই কিছু বলতেও পারছিনা। ঐদিনের পরদিন ফোন অন করলাম। আবারও কল। ধরলাম। বললেন যে ফোন অফ রাখছিলাম কেন। আমি বললাম প্রবলেম ছিল। তিনি বললেন তাঁকে একবার জানানো উচিত ছিল। তাঁর নাকি অনেক কষ্ট হয়েছে।

আপু এভাবেই আমি ওকে দিনের পর দিন… পড়ুন বিস্তারিত

আপু, আমি ফোনে কথা বলা এতটাই বিরক্তিকর মনে করি যে কেউ কল দিলেও আমি সহজে রিসিভ করিনা। সেখানে উনার এমন আচরণ বুঝতেই পারছেন। আমি রেগে গেলাম। বললাম রেগুলারই তো কথা হয়। কষ্টের কি হল? তখন বলল যে তার আমার প্রতি যতটা মায়া হয়েছে ততটা মায়া আমার তার প্রতি হয়েছে কিনা। আমি বললাম, না। তারপর উনি আর দুইদিনে কল দিলেন না। আমি ভাবলাম মনে হয় আমি বেশি বাজে ভেবেছি। তাই নিজেই কল দিলাম। আর সরি বললাম। তিনি বললেন তিনি ব্যস্ত ছিলেন। আমি বললাম আমার এত কথা ভাল লাগেনা। তারপর উনি আর তেমন ফোন দেন না। দিনে একবার বা ১দিন পর এমন।
আমি এখন বঝতে পারছিনা উনি আসলে কী চান। আর বাজে উদ্দেশ্য থাকলে তাকে কীভাবে সরাবো? যাতে করে পরিবারেও কোনো সমস্যা হবেনা। আমি আর আম্মু খুব চিন্তায় আছি। আমি সিম চেন্জ করলেও টিনি পাবে। কারণ নিজেদের লোক। আপু প্লিজ বলে দাও কীভাবে কী করবো?”

বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি আপু, আমার জায়গায় হলে অনেক মেয়েই…
পরামর্শ:
তুমি কথাগুলো বেশ গুছিয়ে লিখেছ। ভদ্রলোকের কথা পুরোটা বলাতে আমার বুঝতে সুবিধা হচ্ছে যে আসলে তিনি কী চান। তবে বাকি কথায় যাবার আগে তোমাকে কিছু কথা বলছি। তোমার চিঠি পড়ে বুঝতে পারছি যে তিনি তোমার এমন কোন সমস্যা সমাধান করে দিয়েছেন যা গোপন বা বিব্রতকর, এবং তোমরা চাও না সেটা কেউ জানুক। ফলে তাঁকে তোমরা রীতিমত ভয়ই পাচ্ছ। অন্য দিকে ভদ্রলোকের কথাবার্তা থেকে বুঝতে পারছি যে তিনি খুব একটা ইয়াং নন, মধ্যবয়সী। তিনি সরাসরি কিছু না বলে কৌশলে কথা আদায় করতে চাইছেন। তবে সবচাইতে বড় ভুল করেছ তুমি। তোমার কোনভাবেই উচিত হয়নি তাঁর সাথে কথা বলা। তুমি আশকারা দিয়েছ তাঁকে। দ্বিতীয় দিনেই যদি এড়িয়ে চলতে, আজকে আর এই সমস্যা হতো না।

ফেসবুক কমেন্ট

comments

পড়ুন  তনুকে নিয়ে একটি প্রতিবাদী ভিডিও দেখুন

About সাদিয়া প্রভা

সাদিয়া প্রভা , ইন্ডিয়ার Apex Group of Institutions এর BBA এর ছাত্রী ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিয়সক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

One comment

  1. I like always this page.